
মানুষ সব সময় আগের অন্যায় ভুলে যায় নুতন অন্যায়ের তোপে। বাংলাদেশের ইতিহাস এটাই বলে। অতএব আইন নিজ হাতে তুলে নিয়ে নুতন অন্যায় করা থেকে বিরত থাকুন। আইনকে তার নিজ গতিতে চলতে দিন। আর এসব অন্যায়কে প্রশ্রয় যারা দিবে তাদেরকেও একদিন জবাবদিহি করতে হবে। অপরাধী হলে শাস্তি দিন, নিরপরাধ হলে নিজের চরকায় তেল দিন।
মনে রাখা দরকার সংস্কার বিহীন নির্বাচন হলে সকল নির্বাচন কমিশনারই একই ভুমিকা পালন করবে। অতীতেও করেছে ভবিষ্যতেও করবে। বর্তমান বিদ্যমান পদ্ধতিতে নির্বাচন কমিশনার পদটাকে সাংবিধানিক পদ বলা হয় ঠিকই কিন্তু এটা সেই সংবিধান যা অতীতে অনেক স্বৈরাচারী তৈরী করেছে এবং অতীতের সরকারগুলো সংবিধানকে প্রতিনিয়ত পদদলিত করেছে। সে কারণেই সংবিধানের সংস্কার দরকার, নির্বাচন কমিশনের সংস্কার দরকার। যতই সাংবিধানিক পদ বলা হোক, সংস্কার বিহীন নির্বাচন কমিশন সরকারের পুতুল হিসেবেই কাজ করবে। কাজেই সংস্কারে মনযোগ দিন, সংস্কারের মাধ্যমে প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা তৈরী করতে পারলেই অতীতের সকল পাপের মোচন হবে, আইন নিজ হাতে তুলে নিয়ে কাউকে শারীরিকভাবে হেনস্হা করে নয়। বরং এসব করলে দেশে এবং বিদেশে ড. ইউনূসের সরকার মারাত্মক প্রশ্নের মুখে পড়বেন, বিতর্কিত হবেন এবং ভবিষ্যত নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।
স্কারবোরো, কানাডা

