আজ দুজনার দুটি পথ ওগো, দুটি দিকে গেছে বেঁকে

আজ দুজনার দুটি পথ ওগো, দুটি দিকে গেছে বেঁকে - the Bengali Times
আপনারা জানেন বিশ্বে সবচেয়ে ক্ষমতাধর এই দুই ব্যক্তির মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে কর ও ব্যয় সংক্রান্ত বাজেট বিল নিয়ে মতবিরোধ চলছিল যা এই ঝগড়া ও শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের মুখে গবর পড়তে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে

দেখেছেন তো পৃথিবীতে কোনো কিছুর ওপরে ভরসা নেই। কে জানতো বলুন দেখি ইলন মাস্ক আর তাঁর বন্ধু ট্রাম্প অহিনকুল সম্পর্কে জড়িয়ে পড়বে বা মাখামাখিতে চিড় ধরবে?

তাও যেনতেনভাবে নয়, একেবারে প্রকাশ্যে মিডিয়ার সামনে এসে ট্রাম্প হাটে হাড়ি ভাঙ্গার কাহিনি করলেন।

- Advertisement -

ট্রম্পের বন্ধু (যদিও এখন সে সম্পর্ক শুধুই তিক্ততার আর প্রতিহিংসার) মাস্কও হাত-পা গুটিয়ে বসে নেই। তিনি তাঁর সোস্যাল মিডিয়া X এ একের পর এক তীব্র প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্য পোস্ট করেই যাচ্ছেন।

আপনারা জানেন বিশ্বে সবচেয়ে ক্ষমতাধর এই দুই ব্যক্তির মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে কর ও ব্যয়-সংক্রান্ত বাজেট বিল নিয়ে মতবিরোধ চলছিল যা এই ঝগড়া ও শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের মুখে গবর পড়তে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।

৫ই জুন পাল্টাপাল্টি আক্রমণাত্মক মন্তব্যের মধ্য দিয়ে ওনাদের সম্পর্কে তালাক পর্যায়ে পৌঁছায়। সাংবাদিকদের সঙ্গে ট্রাম্প উল্লেখ করে বলেন, “ইলন আগে আমার ভালো বন্ধু  ছিল, এখন আর থাকবে না। সে আমার নামে এখন কুৎসা রটাবে।”

এদিকে ইলন আরেক হাত দেখে নিয়ে এক্সে পটাপট লিখে দেন “আমার সাহায্য ছাড়া ট্রাম্পের জয়ই হতো না।”

আপনারা জানেন এই মাস্ক ট্রাম্পকে জেতাতে কত টাকা খরচ করেছেন। 239 মার্কিন মিলিয়ন ডলার মাস্ক গুণেছেন তাঁর পকেট থেকে শুধুমাত্র ট্রাম্পকে জেতাতে।

একথা অস্বীকার করে ট্রাম্প আবার পাল্টা উত্তর দেন, ইলনের জানা উচিৎ তাঁকে ছাড়া আমি এমনিও জিততাম।

সম্পর্ক যখন এমন feud পর্যায়ে তখন মাস্কের আরেক ঘোষণা আসে। তিনি ঘোষণা দেন সামনের নির্বাচনে আমি ডেমোক্রেটিক দলের হয়ে লড়ব। মানে বাইডেন-ওবামার দলের হয়ে লড়তে চেয়েছেন।

তখন জ্বলন্ত আগুনে পড়ল এক বোতল কেরোসিন। দাউ-দাউ করে আগুনের লেলিহান শিখা আকাশ অবদি উঠে পড়ল।

ট্রাম্প দিব্যি মাস্ককে জানিয়ে দেন, সেটা যদি ইলন করেন তাহলে তা হবে ইলনের জন্য একটা বড়ো consequences মানে ট্রাম্প মাস্কের ব্যবসায় যত রকম পতন করা যায় তা তিনি করতে পারেন।

যদিও মাস্ক ট্রাম্পের সঙ্গে অন্তরে অন্তর মিলিয়ে যখন হোয়াইট হাউসে যোগ দিয়েছিলেন,  তখন তাঁর আগ্রাসী মনোভব বিশ্বের দরবারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাঁর অধিনে ইলেকট্রিক গাড়ি বিশ্ব জুড়ে এক পতনের কবলে পড়ে যায় যা এখনো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে নি।

তবে মাস্ক এটাও ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি একটা নতুন পার্টি চালু করবেন। একটা পোস্ট লিখে জনগণের মতামত জানতে চেয়েছেন। সেখানে দেখা গেছে যে 80% জনগণ তাঁর এই সিদ্ধান্তে পজিটিভ মত দিয়েছেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে একটা দল ওপেন করে জেতা সহজ না তা হয়তো মাস্ক ভালোই জানেন।

আরো নানা রকম ঝামেলা আছে বিশ্বেসেরা দুই ধনকুবের।

কিন্তু একটা কথা আমরা সব সময়ই বলি, কেউ যখন অন্যের ওপর অন্যায় করে, তার ফল কোনো না কোনো দিন আসবেই।

ট্রাম্প ও মাস্ক যেমন বন্ধুত্ব ধরে রাখতে পারলেন না, ফলে দুই জনের ওপরেই এর প্রভাব পড়েছে। হি  স   রা   ই  লকে মদদ দিয়ে পুরো গা* শেষ করে ফেলেছে।

৫৫ হাজার গা*বাসীকে হ   ত   ্য  া করেছে। না খাইয়ে মে*রে ফেলতেছে আরো টু পয়েন্ট ওয়ান মিলিয়ন মানুষকে।

আপনারা কী মনে করতেছেন? এসবের হিসেব কি হবে না?

পৃথিবীতে কোনো মানুষই সারাজীন বাঁচে না। সবাই ম*রে। আজকে যারা মা*তে*ছে তারা কি সারাজীবন বেঁচে থাকবে?

না। অত্যন্ত করুণভাবে মর*ণ হবে। সবই সময় বলে দেবে।

গা*তে খাবার এখন আমেরিকা কাম হি  স  রা  ই  ল এর যৌথভাবে ডিস্ট্রিবিউট করছে। অনেক দূরে হেঁটে গিয়ে যখন গা*বাসী খাবার আনতে যাচ্ছেন, তখন তাঁদের ওপর গু*লি চালিয়ে মে*রে ফেলা হচ্ছে।

গতকাল একটা জাহাজ আসতেছিল গা*বাসীর জন্য খাবার নিয়ে। যেখানে ছিল শিশুদের জন্য ফরমুলা ও খাবার। জাহাজ গা*তে পৌঁছনোর দুইশো কিলোমিটার আগেই হি  স  রা  ই ল আটকে দেয় ও জাহাজের সবাইকে যার-যার দেশে পাঠিয়ে দেবে বলে জানিয়েছে। দেশে পাঠাবে, না কোথায় পাঠাবে কে জানে!

শয়তানের দড়ি ছাড়া আছে। একদিন ট্রাম্প ও মাস্কের মতো দড়িতে টান পড়বে সেদিন সব ছিড়ে যাবে। আল্লাহর সেই বিচার দেখার অপেক্ষায় সবাই।

আল্লাহ আপনাদের সুস্থ রাখুন।

 

টরন্টো, কানাডা

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles