21.3 C
Toronto
রবিবার, জুন ১৬, ২০২৪

ডরিনের ভারতে যাওয়া অনিশ্চিত, সন্দেহ বাড়ছে

ডরিনের ভারতে যাওয়া অনিশ্চিত, সন্দেহ বাড়ছে
সংগৃহীত ছবি

‘আমার বাবাকে আসলে গুম করা হয়েছে, না কি হত্যা করা হয়েছে, এসব নিয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য এখনো পাইনি। বলা হচ্ছে, ভারতে বাবার মরদেহের খণ্ডাংশ পাওয়া গেছে। তার ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। আমি ডিএনএ স্যাম্পল দিতে ভারতে যেতে চাই, কিন্তু নানা জটিলতার কারণে সেটাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এতে প্রকৃতপক্ষে বাবার ভাগ্যে কী ঘটেছে তা নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে।’
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) কালের কণ্ঠকে কথাগুলো বলেন ভারতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

- Advertisement -

গোয়েন্দাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ডরিন বলেন, ‘কলকাতার ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংকে পাওয়া লাশের খণ্ডিতাংশ ভারতের সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে নেওয়ার কথা আমাকে বলা হলো। সেসবের ডিএনএ টেস্ট করা হবে।

দীর্ঘদিন পর ভারতের ভিসা পেয়েছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমপি আনারের এপিএস আব্দুর রউফ বলেন, ‘এমপি সাহেবের মেয়ে ডরিন ও আমি একসঙ্গে ভারতীয় ভিসা পেয়েছি। ডিবির তদন্ত টিমের সঙ্গে কথা বলে কলকাতায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’

তদন্তসংশ্লিষ্ট ডিবি সূত্র বলছে, এমপি আনার কলকাতায় যান ১২ মে।

সেখানে বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের বাসায় ওঠেন তিনি। পরের দিন তাকে প্রলুব্ধ করে নিউ টাউনের ওই ফ্ল্যাটে নেওয়া হয়। এ হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে জানা গেছে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী এমপি আনারকে হত্যা করা হয়। তাকে হত্যার সময় ওই ফ্ল্যাটে উপস্থিত ছিলেন শিলাস্তি, শিমুল, তানভীর এবং তাদের সহযোগী জিহাদ হাওলাদার, সিয়াম হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান ও ফয়সাল আলী।

জিহাদ হাওলাদার কলকাতায় গ্রেপ্তার রয়েছেন। সিয়াম নেপালে আটক আছেন। সিয়ামকে ফিরিয়ে আনতে গত শনিবার ঢাকা থেকে পুলিশের একটি তদন্তদল নেপালে যায়। গত সোমবার তারা দেশে ফিরলেও সিয়ামকে ফেরানোর বিষয়ে কোনো অগ্রগতির কথা জানাতে পারেননি ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ।

 

 

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles