7.1 C
Toronto
শুক্রবার, মার্চ ১, ২০২৪

স্বামীর অনুপস্থিতিতে বুশরা বিবির বাড়িতে আসতেন ইমরান খান!

স্বামীর অনুপস্থিতিতে বুশরা বিবির বাড়িতে আসতেন ইমরান খান!
ইমরান খান

বুশরা বিবির সাবেক স্বামী খাওয়ার ফরিদ মানেকার অনুপস্থিতিতে ইমরান সবসময় বুশরা বিবির বাড়িতে আসতেন বলে জানিয়েছেন ওই বাড়ির এক গৃহকর্মী।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে ‘অবৈধ বিয়ের’ মামলায় চার সাক্ষীর বক্তব্য জেলা ও দায়রা আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে।

- Advertisement -

মঙ্গলবার ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালতের সিভিল জজ কুদরতুল্লাহ ‘বেআইনি বিয়ের’ মামলার শুনানি করেন।

এ সময় বুশরা বিবির সাবেক স্বামী খাওয়ার মানেকার গৃহকর্মী মুহাম্মদ লতিফ আবেদনকারীর আইনজীবী রিজওয়ান আব্বাসির উপস্থিতিতে তার বক্তব্য রেকর্ড করেন।

মুহম্মদ লতিফ জবানবন্দি রেকর্ড করে বলেন, ইমরান খান বুশরা বিবির বাড়িতে আসতেন এবং তিনি বুশরা বিবির সঙ্গে রুমে যেতেন। এ সময় তারা দুজনেই আমাকে রুম থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন।

তিনি বলেন, আমি গত ৩৫ বছর ধরে খাওয়ার মানেকার গৃহকর্মী। আমি একজন পুরানো কর্মচারী, তাই তিনি আমার সঙ্গে কোনো ধরনের পর্দা করতে না।

প্রত্যক্ষদর্শী এই গৃহকর্মী বলেছেন যে, খাওয়ার মানেকা কাস্টমসে চাকরি করতেন, তাকে বিভিন্ন জায়গায় বদলি করা হয়েছিল, তার পরিবার লাহোর বা ইসলামাবাদে থাকত।

ইমরান খান ২০১৫ সালে খাওয়ার মানেকার বানিগালার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেছিলেন এবং ২০১৬-১৭ সালে খাওয়ার মানেকার বাড়িতে তার যাতায়াত বৃদ্ধি করেছিলেন।

মুহাম্মদ লতিফের মতে, ইমরান খান সবসময় খাওয়ার মানেকার অনুপস্থিতিতে তার বাড়িতে আসতেন। খাওয়ার মানেকা যখন বুশরা বিবির সঙ্গে কথা বলতে চাইতেন তখন তিনি তার ফোনে কল করতেন। বুশরা বিবির ফোন বন্ধ থাকলে তিনি আমার নম্বরে কল করতেন এবং তার সঙ্গে কথা বলতেন। এসব ঘটনার পর থেকেই খাওয়ার মানিকা ও বশিরা বিবির মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।

পরে আদালত মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে যুক্তিতর্ক তলব করে শুনানি ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করেন।

এর আগে ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে ‘ব্যাভিচার এবং প্রতারণামূলক বিয়ের’ অভিযোগ তুলে মামলা করেন বুশরার সাবেক স্বামী খাওয়ার ফরিদ মানেকা। ইসলামাবাদ ইস্ট সিনিয়র সিভিল জজ কুদরাতুল্লাহর আদালতে পাকিস্তানের দণ্ডবিধির ৩৪, ৪৯৬ এবং ৪৯৬-বি ধারায় ওই মামলা করেন তিনি।

২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর এক প্রকার মনের বিরুদ্ধে গিয়ে বুশরাকে তালাক দেন বলে দাবি করেন তিনি। কিন্তু বুশরার ইদ্দতকাল পালন না হওয়ার আগেই ২০১৮ সালে ইমরানকে বিয়ে করার বিষয়টি তাকে হতাশ করেছিল।

খাওয়ার ফরিদ আরও দাবি করেন, ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি বুশরা ইমরান খানকে বিয়ে করেন। সে অনুযায়ী বুশরার ইদ্দতকাল পালন শেষ হয়নি এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিয়ে অবৈধ।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles