
বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হলো ভারতের উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির ২৭ বছর বয়সী নববধূ মুসকান সিমোলিয়ার। স্বামীর সঙ্গে হোটেল থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতির সময় হঠাৎ মাটিতে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বামী নীলেশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছেন মুসকানের বাবা।
রোববার ঝাঁসির সিপরি বাজার থানা এলাকার একটি হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্বামী ও এক হোটেলকর্মীর সঙ্গে ঘরের দিকে যাওয়ার সময় দরজার কাছে হঠাৎ পড়ে যান মুসকান। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।
স্বামী নীলেশের দাবি, হোটেলের ২১২ নম্বর কক্ষের দরজার কাছে হঠাৎ পড়ে যান তাঁর স্ত্রী। তবে মুসকানের বাবার সন্দেহ, মেয়ের মাথায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় তাঁকে দেওয়ালে আঘাত করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নিহতের বাবার আরও অভিযোগ, নীলেশ তাঁর আগের বিয়ের তথ্য গোপন করে মুসকানকে বিয়ে করেছিলেন। এ ছাড়া অন্য নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং স্ত্রীকে মানসিকভাবে কষ্ট দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৩ অক্টোবর রাতে নীলেশ মুসকানকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরে তাঁরা ঝাঁসির একটি হোটেলে অবস্থান করেছিলেন বলে জানতে পারে পরিবার।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মুসকানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের বিস্তারিত ফল এখনো জানা যায়নি।

