পরীতে মুগ্ধ!

- Advertisement -
পরীমনি

এই মুহূর্তে দেশের শোবিজ অঙ্গণে সম্ভবত সবচেয়ে বিতর্কিত নাম পরীমনি। মাস কয়েক আগে মাদককাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এরপর প্রায় এক মাস জেলবন্দিও থাকতে হয়েছে তাঁকে। সেখান থেকে মুক্ত হয়েও অনেক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন পরী। কাজের অফারও পেয়েছেন বেশ কয়েকটা।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার দেশের জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম-এর পরবর্তী ছবিতে অন্যতম মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে পরীমনিকে। ছবির নাম ‘গুণিন’। সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের একটি ছোটগল্পের ওপর ভিত্তি করেই লেখা হয়েছে ছবির চিত্রনাট্য। সমাজের নিচুতলার মানুষদের জীবন সংগ্রামের কথা উঠে আসবে এই ছবিতে।

- Advertisement -

এমনটাই দাবি পরিচালকের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নতুন এই ছবি থেকে শুরু করে পরীমনিতে মুগ্ধতা- সবকিছু নিয়েই মুখ খুললেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই দু-দুটি জাতীয় পুরস্কার পাওয়া সত্ত্বেও তেমনভাবে চাপ অনুভূত হয় না তাঁর। পরিচালকের যুক্তি, একেবারে স্বাধীনভাবে ছবি তৈরি করেন তিনি। দর্শকের চাহিদার ওপর নির্ভর করে মোটেই কোনও ছবি বানান না তিনি। সিনেমা তৈরির সময় তাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় দর্শককে তিনি ঠিক কী দেখাতে চাইছেন- স্রেফ সেই বিষয়টাই!

- Advertisement -

গিয়াস উদ্দিন সেলিম আরও জানান, তাঁর পরপর ছবি তৈরি করার দারুণ ইচ্ছা। কিন্তু যে ধরণের ছবি তিনি তৈরি করেন, তার জন্য অনেক সময় প্রযোজকই খুঁজে পাওয়া মুশকিল হয়। পাওয়াই যায় না অনেকসময়। তাই দেরি হয়, বেশি সময় লাগে। তবে ভবিষ্যতে টানা ছবির কাজ করার ব্যাপারে দৃঢ় মনোভাব জানাতে মোটেও পিছপা হননি দেশের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই পরিচালক।

- Advertisement -

পরীমনির বিষয়েও কোনও রাখঢাক না করে নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। স্পষ্টভাবে জানালেন, বক্স অফিসে সাফল্য পেতে মোটেই বিতর্কিত নায়িকাকে নিজের ছবিতে নেননি তিনি। এই ‘অভিযোগ’ যে একেবারে ভিত্তিহীন তার যুক্তি হিসেবে পরিচালকের জবাব, ‘বিতর্ককে পাত্তাই দিই না। সেরকম হলে বহু আগেই শাকিব খানকে নিয়ে কাজ করে ফেলতে পারতাম’।

পরীমনিকে নিয়েও তাঁর চিন্তা ভীষণ পরিষ্কার। ব্যক্তি পরীমনিকে নিয়ে কোনও কথা না বললেও অভিনেত্রী পরীমনির কাজ দেখে তিনি রীতিমত মুগ্ধ, সে কথাও সরাসরি স্বীকার করতে ভোলেননি ‘স্বপ্নজাল’ ছবির পরিচালক।

গিয়াস উদ্দিনের কথাতেই জানা যায়, নায়িকা নুসরত ফরিয়াকেই প্রথমে এই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু নায়িকার শিডিউল না থাকায় স্বভাবতই কথা এগোয়নি। খোঁজা শুরু হয় অন্য মুখ। ঘটনাচক্রে ওই সময়েই জামিন পায় পরীমনি।

পরিচালকের কথায়, ‘ওঁকে দেখে মনে হয়েছিল এই চরিত্রটি পর্দায় ফুটিয়ে তোলার সবরকম মালমশলা ওঁর মধ্যে আছে। ও চরিত্রটি ভাল করতে পারবে। স্রেফ তা ভেবেই ওকে ছবিতে নিই আমি’।

গিয়াস উদ্দিন আরও বলেন, ‘তাছাড়া এর আগে আমার ‘স্বপ্নজাল’ ছবিতেও কাজ করেছিল পরীমনি। আমার ছবিতে ওঁর কাজ দেখে মনে হয়েছে- জীবনের এই নেতিবাচক অভিজ্ঞতা অভিনেত্রী হিসেবে পরীমনিকে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে। আমার বিশ্বাস, আজ থেকে ১০ বছর পর পরীমনি যে পর্যায়ে অভিনয় করতে পারত, সেসব এখনই করতে পারছে সে!’

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles