21.3 C
Toronto
বৃহস্পতিবার, মে ২৩, ২০২৪

ভারতে স্বামী-সন্তান ফেলে মুসলিম হয়ে পাকিস্তানি প্রেমিককে বিয়ে

ভারতে স্বামী-সন্তান ফেলে মুসলিম হয়ে পাকিস্তানি প্রেমিককে বিয়ে

ফেসবুকে পাকিস্তানি তরুণের সঙ্গে পরিচয় ২০১৯ সালে। এরপর গড়ে ওঠে সম্পর্ক। কয়েক বছরের সেই সম্পর্কের টানে স্বামী ও সন্তানদের ফেলে চলতি মাসে বৈধ পথে পাকিস্তানে যান ভারতীয় গৃহবধূ অঞ্জু। তাদের নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা।

- Advertisement -

অবশেষে পাকিস্তানি প্রেমিক নাসরুল্লাহকে বিয়ে করেছেন। ধর্ম পাল্টে মুসলিম হয়েছেন অঞ্জু, নাম রেখেছেন ফাতিমা। নাসরুল্লাহ-ফাতিমার প্রেমের টানে টিকল না দুই দেশের বৈরি সীমান্ত। রাজনৈতিক সব বাধা পেরিয়ে তারা এখন স্বামী-স্ত্রী।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুখয়ার আপার ডির জেলার নাসরুল্লাহকে বিয়ে করেছেন অঞ্জু। জেলা আদালতে গিয়ে সেশন জজের সামনে তারা বিয়ে করেন।

মালাকান্দ জেলার উপমহাপরিদর্শক নাসির মাহমুদ বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালত থেকে নিরাপত্তা দিয়ে তাকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এর আগে গত রোববার পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখয়াতে পাড়ি জমিয়েছেন অঞ্জু নামের এক ভারতীয় নারী। ৩৪ বছর বয়সী অঞ্জু ২৯ বছর বয়সী নাসরুল্লাহর সঙ্গে দেখা করতে সেখানে যান। অঞ্জুর বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম জানায়, ফেসবুকে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। এরপর দিনে দিনে গাঢ় হয় বন্ধুত্ব। একসময় এই বন্ধুত্বই রূপ নেয় প্রেমে। ওই প্রেমের কারণেই অঞ্জু নিজ দেশ ছেড়ে পাকিস্তানে চলে আসেন।

তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, অঞ্জু প্রেমের টানে নয়, শুধুমাত্র বন্ধু নাসরুল্লাহর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। তিনি ও নাসরুল্লাহ ফেসবুক বন্ধু।

বিষয়টি নিয়ে দুই বৈরি দেশের সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। পাল্টাপাল্টি দাবি করতে থাকে দুই দেশের মিডিয়া। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করে, অঞ্জু শুধুমাত্র বন্ধুত্বের টানে পাকিস্তান গেছেন। আবার পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, তাদের মধ্যে প্রেমেরই সম্পর্ক। সবশেষ অঞ্জুর বাবার বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, অঞ্জুর মানসিক সমস্যা রয়েছে। তবে ধর্ম পাল্টে পাকিস্তানি প্রেমিককে বিয়ের পর সব আলোচনার অবসান ঘটল।

সম্প্রতি একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে ভারতেও। সেখানে প্রেমের টানে পাড়ি জমিয়েছেন পাকিস্তানি নারী সীমা হালদার। তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে পুলিশ। সীমার সঙ্গে তার চার সন্তানও ছিল বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

গত ৪ জুলাই ভারতের প্রবেশ করার কারণে সীমা হালদারকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে ৭ জুলাই তাকে জামিন দেওয়া হয়। এখন সীমা ও শচীন দিল্লির কাছেই রাবুপুরা এলাকায় একটি দোকান চালাচ্ছেন। ভারতীয় রাষ্ট্রপতি দৌপর্দী মুর্মুর কাছে চিঠি লিখে ভারতের নাগরিকত্ব চেয়েছেন সীমা।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles