15.7 C
Toronto
সোমবার, মে ২৭, ২০২৪

ক্ষমতায় থাকার বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে সরকার : চরমোনাই পীর

ক্ষমতায় থাকার বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে সরকার : চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহা. রেজাউল করীম বলেছেন, ‘পরিস্থিতি এমন পর্যায় এসে দাঁড়িয়েছে যে, বিদেশি শক্তিগুলো বিভিন্ন ছুতোয় বাংলাদেশকে নানারকম নিষেধাজ্ঞার ভয় দেখাচ্ছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে, কেবল ক্ষমতাসীনদের বিদেশ তোষণনীতির কারণে। এমতাবস্থায় সরকার ক্ষমতায় থাকার বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে।’

- Advertisement -

আজ বুধবার নোয়াখালী জেলা (দক্ষিণ) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

রেজাউল করিম বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে জনমনে ব্যাপক উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশও নেই। আগামী নির্বাচনেও যেন একচেটিয়াভাবে ক্ষমতায় আসা যায়, সরকার সে লক্ষ্যেই সবরকম পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই অবস্থায় জাতীয় সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা- সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার আজ ভূলুণ্ঠিত। বর্তমান সরকার ভোটের নামে প্রহসন করে, ভোটকেন্দ্র দখল করে দিনের ভোট রাতে নিয়ে ও ইভিএমের মাধ্যমে ডিজিটাল কারচুপি করে গোটা বিশ্বের সামনে বাংলাদেশকে লজ্জিত করেছে। এতে ক্ষমতাসীন সরকার জনবিচ্ছিন্ন একটি স্বৈর সরকারে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায় এসে দাঁড়িয়েছে যে, বিদেশি শক্তিগুলো বিভিন্ন ছুতোয় বাংলাদেশকে নানারকম নিষেধাজ্ঞার ভয় দেখাচ্ছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে কেবলমাত্র ক্ষমতাসীনদের বিদেশ তোষণনীতির কারণে।

চরমোনাই পীর বলেন, এমতাবস্থায় সরকার ক্ষমতায় থাকার সব বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা আজ চরম হুমকির মুখে। অর্থনৈতিক সংকট দিন দিন ঘনীভূত হচ্ছে। বৈদেশিক ঋণ বৃদ্ধি, দেশীয় ব্যাংকের তারল্য সংকট এবং ডলার সংকট ও মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতিকে আজ পঙ্গু করে ফেলেছে। বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তির অশুভ প্রভাব। স্বাধীন রাষ্ট্রের সম্মান ক্ষুণ্ন করছে। তাই সরকারের পতন এখন সময়ের দাবি।

জেলা সভাপতি মাও. মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন ও মাও. খালিদ সাইফুল্লাহ, সহকারী মহাসচিব মাও. ইমতিয়াজ আলম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ, নোয়াখালী উত্তর জেলা সভাপতি মাও. নজির আহমাদ, জেলা সেক্রেটারী মাও. আলা উদ্দিন হারুন ও মুহা।

আবদুল মুকিতের যৌথ সঞ্চালনায় আর বক্তব্য দেন, মাও. ফিরোজ আলম, মাও. শহীদুল ইসলাম, মাও. কাউছার আহমাদ, মাও. মুদ্দাচ্ছির হোসাইন, মুহা. ইকবাল হোসাইন, মাও. শাকির হোসাইন, মুহা. রাসেল আহমেদ, মুহা. বেলাল হোসাইন, মুহা. আবদুল করীমসহ জেলা ও থানার নেতারা।

সূত্র : আমাদের সময়

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles