পিল রিজিয়নের ৮৩ শতাংশ বাসিন্দা উভয় ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন

- Advertisement -

ট্রিলিয়াম হেলথ পার্টনারস পরিচালিত তিনটি হাসপাতালে ২৯ জন কোভিড রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন…ছবি/ ট্রিলিয়াম হেলথ পার্টনারস

পিল রিজিয়নের ৮৩ শতাংশ বাসিন্দা এখন পর্যন্ত উভয় ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তবে, পিল রিজিয়নের জনস্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. লরেন্স লোহ বলেন, হেলথ নেটওয়ার্কের উপাত্ত অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কোভিড রোগীদের ৯৫ শতাংশই ভ্যাকসিন নেননি।

এদিকে, গ্রেটার টরন্টো এরিয়ার (জিটিএ) অধিকাংশ স্থানে কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হলে মিসিসোগার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নেওয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদিনও ট্রিলিয়াম হেলথ পার্টনারস পরিচালিত তিনটি হাসপাতালে ২৯ জন কোভিড রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর মধ্যে আটজন ছিলেন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে।

- Advertisement -

মিসিসোগার মেয়র বনি ক্রম্বি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কয়েক সপ্তাহ আগেও হাসপাতালে যে ধরনের কোভিড রোগী ভর্তি হতেন বর্তমানে সংখ্যাটা তার চেয়ে অনেক বেশি। সামনে কি ঘটতে যাচ্ছে তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

ট্রিলিয়াম ক্রেডিট ভ্যালি হাসপাতাল, মিসিসোগা হাসপাতাল ও কুইন্সওয়ে হেলথ সেন্টার পরিচালনা করে থাকে। ক্রম্বি বলেন, আমি ট্রিলিয়াম হেলথ পার্টনারসের নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছি এবং হাসপাতালে রোগী ভর্তি বৃদ্ধির জন্য তারা ছয়টি নির্দিষ্ট নেবারহুডে ভ্যাকসিনেশনের স্বল্প হারকে দায়ী করেছেন। নেবারহুডগুলো হলো মিসিসোগা ভ্যালি, অ্যাপলউড, ফেয়ারভিউ, শেনিরডান, রাথবার্ন ও এরিনডেল। আমাদের সব নাগরিক বিশেষ করে এই ছয়টি নেবারহুডের বাসিন্দাদের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, যত দ্রুত সম্ভব আপনারা ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন। ট্রিলিয়াম হেলথ পার্টনার্সের অবস্থা যাতে এ বছরের গোড়ার দিকের মতো না হয় সেজন্য আপনাদের সহায়তা প্রয়োজন। ওই সময় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রগুলোর ধারণক্ষমতা ছাপিয়ে গিয়েছিল এবং অনেক ঐচ্ছিক অস্ত্রোপচার বাতিল করতে হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার এই হাসপাতাল নেটওয়ার্কে গ্রেটার টরন্টো এরিয়ার যেকোনো হাসপাতাল নেটওয়ার্কের চেয়ে বেশি কোভিড রোগী ছিলেন। এমনকি পার্শ্ববর্তী ব্র্যাম্পটনের চেয়েও ট্রিলিয়ামের অবস্থা খারাপ। ব্র্যাম্পটনের উইলিয়াম ওলসার হেলথ সিস্টেমে মাত্র ১০ জন কোভিড রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর মধ্যে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দে ছিলেন মাত্র একজন।

ক্রম্বি বলেন, ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমরা এরইমধ্যে যে সাফস্য পেয়েছি তা ধরে রাখতে আপনাদের সহায়তা প্রয়োজন। ভ্যাকসিন প্রাপ্তি খুবই সহজ করে দিয়েছে জনস্বাস্থ্য বিভাগ।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles