14.4 C
Toronto
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২

আদিবাসী পুলিশ বাহিনী গঠনের প্রতিবন্ধকতা দূর করার দাবি

- Advertisement -
আলবার্টার বিচারমন্ত্রী টাইলার শ্যান্ড্রো সোমবার সিকসিকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কানাডার সামনে পরবর্তী বড় পদক্ষেপ হচ্ছে ফার্স্ট নেশন্স ও ইনুইট পুলিশিং প্রোগ্রাম প্রতিষ্ঠা করা

নতুন একটি আদিবাসী পুলিশ বাহিনী গঠনের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে অটোয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আলবার্টা সরকার ও দক্ষিণ আলবার্টা ফার্স্ট নেশন।

ক্যালগেরির ১৩০ কিলোমিটার পূর্বে সিকসিকা নেশনের ১৯৯২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত নিজস্ব পুলিশ বাহিনী ছিল। তবে তহবিলের অভাবে ফেডারেল ও প্রাদেশিক সরকারের সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদী যে চুক্তির আওতায় বাহিনীটি গঠন করা হয়েছিল তা আর নবায়ন করা হয়নি। ফেডারেল সরকার এর ফার্স্ট নেশন ও ইনুইট পুলিশিং প্রোগ্রাম পর্যবেক্ষণ করতে থাকায় বাহিনীটি পুনরায় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা কয়েক বছর ধরেই আটকে আছে।

আলবার্টার বিচারমন্ত্রী টাইলার শ্যান্ড্রো সোমবার সিকসিকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কানাডার সামনে পরবর্তী বড় পদক্ষেপ হচ্ছে ফার্স্ট নেশন্স ও ইনুইট পুলিশিং প্রোগ্রাম প্রতিষ্ঠা করা এবং এজন্য অর্থায়ন করা। ফেডারেল সরকারের সামনে পর্যালোচনা শেষ করার সময় এসেছে।

সিকসিকা কমিউনিটির সদস্যদের নিরাপত্তা উন্নয়ন ও নতুন পুলিশ সেবার জন্য অর্থায়ন কর্মকাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার লক্ষ্যে আলবার্টা ও ফার্স্ট নেশনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সিকসিকা ফার্স্ট নেশনের প্রধান ক্রফুট বলেন, জমির বিবেচনায় কানাডায় আমরা দ্বিতীয় বৃহত্তম ফার্স্ট নেশন। তারপরও আমাদের কোনো পুলিশ নেই।

ভূমি নিয়ে অনিষ্পন্ন দাবি সমাধানে ফেডারেল সরকারের সঙ্গে গত মাসে ঐতিহাসিক বন্দোবস্ত স্বাক্ষর করে সিকসিকা। এর আওতায় ফার্স্ট নেশনটিকে ১৩০ কোটি দেয় ফেডারেল সরকার। সিকসিকার ৪৬ হাজার ৫০০ হেক্টর সংরক্ষিত ভূমি ও সুনির্দিষ্ট কিছু খনিজের অধিকার কেড়ে নেয় কানাডা।

ক্রফুট বলেন, এই মুহূর্তে আমার অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পুলিশ বাহিনী ফেরত পাওয়া। আমরা এখানে বাড়তি সুবিধঅ নিচ্ছি না। বিনামূল্যে গাড়িতে চড়তেও আমরা চাইছি না। আমরা নিজেরাই এতে অর্থায়ন করছি। আমাদের লোকদের সুরক্ষায় আমরা কেবল আলবার্টা ও ফেডারেল সরকারের কাছে সহায়তাটুকু চাইছি।

তিনি বলেন, নিজস্ব বাহিনী আমাদের জীবন রক্ষা করবে। আপনার কমিউনিটিতে যখন আপনার পুলিশ বাহিনী থাকবে তখন আপনার হাতে সমাধানের আরও উপায় থাকবে। আমাদের পুলিশ বাহিনী থাকলে সাড়া দেওয়ার সময় কমে আসবে, যা ঝুঁকিতে থাকা জীবন বাঁচাতে সহায়ক হবে।

Related Articles

Latest Articles