22.7 C
Toronto
বুধবার, আগস্ট ১৭, ২০২২

ক্ষমা চাইলেন এমপি কেভিন ভ্যান কোয়েভারডেন

- Advertisement -
এমপি কেভিন ভ্যান কোয়েভারডেন

প্রবাসী এক কানাডিয়ানকে ভর্ৎসনা করার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন মিল্টনের অন্টারিও রাইডিংয়ের লিবারেল এমপি অ্যাডাম ভ্যান কোয়েভারডেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে কোয়েভারডেন বলেন, আমার প্রকাশটা আরও ভালো হওয়া উচিত ছিল এবং যেভাবে আমি প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছি তা গ্রহণযোগ্য হয়নি। এজন্য আমি দুঃখিত। আমার মন্তব্যের কারণে অপমানিত হওয়া ওই ব্যক্তি
এবং অন্য কেউ আহত হলে তাদের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি।

নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত অন্টারিওর ব্র্যান্টফোর্ডের বাসিন্দা ও স্কুল শিক্ষক কেট ফেইথ সিবিসি নিউজকে বলেন, তিনি এখনও ভ্যাকসিন নেননি। পাশর্^প্রতিক্রয়ার ভয়ে তিনি ভ্যাকসিন নিতে চানও না। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি অসুস্থ্য হলেও তার পরিবারের লোকজন তার সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না। ভ্যাকসিন না নিলে কোনো যাত্রী কানাডায় প্রবেশ না করতে পারার যে বিধান তার ফলে বাবা-মাকে দেখতে তার পক্ষে কানাডায় আসা সম্ভব নয়। গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক কোনো অনুষ্ঠানে যোগদানেরও সুযোগ নেই তার।

তিনি বলেন, গত বছর আমার গ্র্যান্ডফাদার মারা যান এবং তার অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া দেখতে হয়েছে ফেসটাইমে। এখন আমরা চাচা অসুস্থ্য এবং আমার কানাডায় আসার সুযোগ নেই।

ভ্যাকসিন না নেওয়া কানাডিয়ানদের দেশে ফেরার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সরকার বলছে, ভ্যাকসিন না নেওয়া কানাডিয়ানদের প্রবেশপূর্ব, প্রবেশের পর এবং ডে-৮ টেস্টিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সেই সঙ্গে কোয়ারেন্টিনের শর্তও পরিপালন করতে হবে। তা না হলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা অথবা ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখী হতে হবে।

ফেইথকানাডায় আসার সুযোগ পেলেও ভ্যাকসিন বাধ্যবাধকতার কারণে নিউজিল্যান্ডের বিমানে চড়তে পারবেন না। সিবিসি নিউজকে তিনি বলেন, ভ্যাকসিন না নেওয়ায় গত নভেম্বরে তাকে শিক্ষকতার চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়। নিউজিল্যান্ড ভ্যাকসিন বাধ্যবাধকতার নিয়ম প্রত্যাহার করে নিলে গত এপ্রিলে তিনি শিক্ষকতা আবার শুরু করেন। কানাডার ভ্যাকসিন বাধ্যবাধকতা নিয়ে তিনি হতাশার কথা জানিয়ে লিবারেল ও এনডিপি এমপিকে চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু কেউই এর উত্তর দেননি। এরপর তিনি এমপির ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে তার নাগাল পান এবং তিনি এর উত্তর দেন।

এমপি কোয়েভারডেনকে তিনি বলেন, ভ্যাকসিন বাধ্যবাধকতা এখনও কেন চালু আছে? এটা দুর্নীতি এবং যেসব এমপি ভালোটা করতে চান না তারাই এর পক্ষে।

জবাবে কোয়েভারডেন বলেন, আমি যেসব রোগতত্ত্ববিদের সঙ্গে কথা বলেছি আপনি মনে হচ্ছে তাদের চেয়েও স্মার্ট। এরপর ফেইথ কোয়েভারডেনকে বলেন, আমার বয়স ২৯ বছর এবং দুই মাস আগেই আমি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছি। তারপরও কেন তাকে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হবে না।

কোয়েভারডেন বলেন, এই তথ্য জানানো জায়গা এটা নয়। পরে জানানো হবে।
ফেইথ বাধ্যতামূলক ভ্যাকসিনেশনের পক্ষে কোয়েভারডেনের কাছে প্রমাণ চাইতে থাকেন এবং এমপিকে কানাডাডিয়ানের জন্য লজ্জার বলে উল্লেখ করেন। এর জবাবে কোয়েভারডেনের প্রতিক্রিয়াটি ছিল অসৌজন্যমূলক।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles