4.2 C
Toronto
শনিবার, অক্টোবর ২৩, ২০২১

২১শে ফেব্রুয়ারির আগেই শেষ হবে টরন্টোয় শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ

ছবি আওয়ার টাইমস এর সৌজন্যে

প্রায় এক দশকের জল্পনা-কল্পনা, আলাপন ও পরিকল্পনা শেষে উদ্যোক্তাদের মেধা, অর্থ ও শ্রমের বিনিময়ে অবশেষে গত ২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে ভাষা শহীদদের স্মরণে এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের নিমিত্তে টরন্টোতে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করে টরন্টো সিটি কাউন্সিল। এর প্রেক্ষিতে শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ ২০২০ সালের ৭ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়। বৈরী আবহাওয়া ও করোনা মহামারির বিশেষ লকডাউন নিয়মাবলির কারণে নির্মাণকাজের অগ্রগতি কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। বর্তমানে এটির নির্মাণকাজ একেবারেই শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ড্যানফোর্থস্থ ডেনটোনিয়া পার্কে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পাঁচটি স্তম্ভ। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি টরন্টো প্রবাসী বাংলাদেশিরা এতে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

এই কাজে নিয়োজিত ‘অরগানাইজেনশন ফর টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাংগুয়েজ ডে মনুমেন্ট ইনক’ বা ওটিআইএমএলডি ইনক অবশিষ্ট নির্মাণকাজ শেষ করতে সহযোগিতা চেয়েছে। ওটিআইএমএলডি ইনক এর সভাপতি ম্যাক আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে শহীদ মিনার নির্মাণে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন,দীর্ঘ সাত বছর ধরে অরগানাইজেনশন ফর টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাংগুয়েজ ডে মনুমেন্ট ইনক একটি স্থায়ী শহীদ মিনার (মাদার ল্যাংগুয়েজ ডে মনুমেন্ট) নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়,অন্টারিও প্রদেশের সরকার কর্তৃক বেঁধে দেওয়া বিশেষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ থাকার কারণে এ বছর হয়তো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে প্রভাত-ফেরি আয়োজন করা সম্ভব হবে না। তবে ২১ তারিখের পূর্বে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অবশ্যই গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানানো হবে।

জানা গেছে, শহীদ মিনারটি নির্মাণের ব্যয় পরিকল্পনার চেয়ে একটু বেশি হতে যাচ্ছে। কারণ সিটি অব টরন্টোর নির্দেশ অনুযায়ী ইউনিওনাইজড লেবার দিয়ে পুরো প্রকল্পের কাজ করতে হয়েছে। তাই কনস্ট্রাকশন কর্মীদের পেছনে খরচ বেড়েছে।

- Advertisement - Visit the MDN site

Related Articles

- Advertisement - Visit the MDN site

Latest Articles