19.2 C
Toronto
মঙ্গলবার, আগস্ট ৯, ২০২২

মহামারির মধ্যে ফেডারেল নির্বাচন হলে সেটিও আলাদা কিছু হবে না

- Advertisement -

মহামারির মধ্যে নির্বাচন যে একেবারে বন্ধ আছে তেমন নয়। মহামারির মধ্যেও ব্রিটিল কলাম্বিয়া, সাস্কেচুয়ান, নিউ ব্রান্সউইক ও অতি সম্প্রতি নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ভোটার কাছে প্রার্থীকে বেছে নেওয়া, প্রার্থীর চাহিদা অনুযায়ী ভোটার পাওয়া এবং নির্বাচন পরিচালকদের সঠিক ও নিরপক্ষেভাবে সেটি অনুষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে মহামারি যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে, সবগুলো নির্বাচনেই তা স্পষ্ট হয়েছে। মহামারির মধ্যে ফেডারেল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সেটিও এর থেকে আলাদা কিছু হবে না। প্রত্যেকের জন্যই এটি হবে অনন্য অভিজ্ঞতা।

মহামারির মধ্যে সম্ভাব্য নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে কেনাকাটায় ব্যস্ত রয়েছে ইলেকশন্স কানাডা। এরই মধ্যে তারা ১ কোটি ৮৮ লাখ সার্জিক্যাল মাস্ক, ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৭৭০ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ৪ লাখ ১১ হাজার ৩১০টি ফেস শিল্ড, ১ লাখ ২৬ হাজার ১০০ প্লেক্সিগ্লাস ও ৪০ হাজার প্যাকেট মোছার সামগ্রী ক্রয় সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি ১ কোটি ৬০ লাখ পেন্সিলও কিনেছে ইলেকশন্স কানাডা। এর মধ্যে ৩৬ লাখ ৫০ হাজার বড় হাতলের পেন্সিল।

ইলেকশন্স কানাডার মুখপাত্র নাতাশা গোথিয়ের সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আমরা এখন যেটা করছি তা হলো মহামারির মধ্যে নির্বাচন হলে সঠিকভাবে সেটি যাতে আমরা করতে পারি। অর্থাৎ, ভোটার, ইলেকশন কানাডার কর্মী ও নির্বাচন কর্মী সবার জন্যই যাতে সেটি নিরাপদ হয়। পাশাপাশি এটা করতে গিয়ে ইলেকশন্স কানাডার সততায় যাতে কোনো ধরনের আঁচড় না লাগে সেটাও নিশ্চিত করতে হবে আমাদের।

লাখো কানাডিয়ানের ভোট দেওয়ার স্থান ও সময় নিঃসন্দেহে বদলে যাবে। কমপক্ষে ৫০ লাখ ভোটার ইমেইলে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন বলে মনে করছে ইলেকশন্স কানাডা। ২০১৯ সালের নির্বাচনে যত সংখ্যক ভোটার ইমেইলের মাধ্যমে ভোট দিয়েছিলেন এ সংখ্যা তার প্রায় ১০০ গুন। ২০১৯ সালে মাত্র ৫৫ হাজার ভোটার ইমেইলের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles