11.7 C
Toronto
মঙ্গলবার, জুন ২৮, ২০২২

ভয়াবহতা কমে আসায় শিথিল হচ্ছে কানাডায় প্রবেশে বিধিনিষেধ

- Advertisement -
ভয়াবহতা কমে আসায় শিথিল হচ্ছে কানাডায় প্রবেশে বিধিনিষেধ
জননিরাপত্তা মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার

কানাডিয়ানরা শিগগিরই বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। তবে যারা উভয় ডোজের ভ্যাকসিনই নিয়েছেন তারাই কেবল এ সুযোগ পাবেন। তবে তাদেরকেও কোভিড-১৯ এর প্রমাণপত্র প্রদর্শন করতে হবে। নন-কানাডিয়ানদের জন্য ২০২০ সালের মার্চে সীমান্ত বন্ধ করে দেয় কানাডা। তবে জরুরি কাজে নিয়োজিত বিদেশি নাগরিক যেমন ট্রাক চালক ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের এ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কানাডিয়ান, স্থায়ী বসবাসকারী ও ইন্ডিয়ান অ্যাক্টের অধীনে নিবন্ধিত ব্যক্তিদের কানাডায় ফেরার পথ সবসময়ই উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। তবে ফেরার পর বাড়িতে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের বিধান রয়েছে। আকাশপথে ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে গত ফেব্রুয়ারিতে নিজ খরচে তিন দিনের হোটেল কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে স্থল ও আকাশপথে কানাডায় প্রবেশে যাদের সুযোগ রয়েছে এবং কমপক্ষে দুই সপ্তাহ আগে উভয় ডোজের ভ্যাকসিনই নিয়েছেন তাদের কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজন হবে না। তবে যাত্রার আগে ও পৌঁছানোর পরে তাদেরকে অবশ্যই কোভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ দেখাতে হবে। ৫ জুলাই থেকে এ নিয়ম কার্যকর হতে যাচ্ছে। যাত্রার আগে পরীক্ষার ফলাফল ও ভ্যাকসিন নেওয়ার স্বপক্ষে প্রমাণপত্র তাদেরকে অ্যারাইভক্যান অ্যাপে আপলোড করতে হবে।

জননিরাপত্তা মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার সোমবার বলেন, সরকারের তরফ থেকে এখনও জনগণকে বিদেশ ভ্রমণ না করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তবে ১৫ মাস আগে সীমান্তে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে তা স্থায়ী করার কোনো উদ্দেশ্য নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিল ব্লেয়ার বলেন, আমরা জানি যে, জনগণ সীমান্ত খোলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন। ভ্যাকসিনেশনে কানাডা অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাওয়ায় এবং কোভিড-১৯ এর ভয়াবহতা কমে আসায় আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সম্পর্কিত ঝুঁকিও হ্রাস পাবে। ভ্যাকসিন না নেওয়া ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে অবশ্য নিয়মে কোনো পরিবর্তন আসছে না। পাশাপাশি জরুরি কাজের প্রয়োজনে, পরিবারের সঙ্গে মিলিত হওয়া ও চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়া অধিকাংশ বিদেশি নাগরিকের জন্য কানাডায় প্রবেশের সুযোগ রহিতই থাকবে।

কানাডা অনুমোদিত চারটি ভ্যাকসিন গ্রহীতাদের ক্ষেত্রেই পরিবর্তীত নিয়ম কার্যকর হবে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। তবে ঠিক কবে নাগাদ সীমান্ত খুলবে সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলছে না ফেডারেল সরকার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্যাটি হাইডু বলেছেন, আমাদের কমিউনিটিগুলোর নিরাপত্তা বাড়লেই সীমান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে এবং কানাডিয়ানদের আমরা তা বরাবরই বলে আসছি।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles