
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বড় শ্যালকের বউকে ঘরে উঠানোয় নিজের স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন মো. ফরিদ মিয়া (৩৫) নামে এক যুবক। ঘটনার ২ দিন পর হুজুরের কাছে গিয়ে তওবা করার মাধ্যমে তালাক প্রত্যাহার করে স্ত্রীকে ঘরে তোলেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে। পেশায় কৃষক ফরিদ মিয়া ওয়ার্ড জামায়াতের প্রচার সম্পাদক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, ফরিদ মিয়া গত বৃহস্পতিবার তার বড় শ্যালকের জন্য মেয়ে দেখতে পাশের কালান্দর গ্রামে যান। এ সময় তার স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনও সঙ্গে ছিলেন। মেয়ে পছন্দ হওয়ার পর বিয়ের দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু ফরিদ মিয়া বাড়ি ফিরে যাওয়ার পর তার সঙ্গে পরামর্শ না করেই এবং কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই মেয়েকে বিয়ের পর বাড়িতে আনেন তার সম্বন্ধি।
বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হন ফরিদ মিয়া। পরে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রী তাছলিমা আক্তারকে নিজের বাড়িতে এনে প্রকাশ্যে তিন তালাক দেন ফরিদ মিয়া।
এ ঘটনাটি জানাজানি হলে উভয় পরিবার বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে। একপর্যায়ে স্বামী-স্ত্রী আলাদা বসবাস শুরু করেন।
কিন্তু নিজের ভুল বুঝতে পেরে ঘটনার দুই দিন পর স্থানীয় এক হুজুরের কাছে গিয়ে তওবা করার মাধ্যমে ফরিদ মিয়া তালাক প্রত্যাহার করেন এবং পুনরায় স্ত্রীকে ঘরে তোলেন।
এ বিষয়ে ফরিদ মিয়া তালাক দেওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, তিনি রাগের মাথায় তিন তালাক দেন। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন, এটি ঠিক হয়নি। স্থানীয় এক হুজুরের পরামর্শে তওবার মাধ্যমে তালাক প্রত্যাহার করে স্ত্রীকে আবার সংসারে ফিরিয়ে নেন ফরিদ মিয়া।

