
অযুত-নিযুত দূরে বসে
নক্ষত্রদের গায়ে টোকা দিয়ে
যিনি সারাক্ষণ গল্প করেন
আর বলেন তাঁর দামাল ছেলেদের কথা,
তিনি আমার
নিঃশ্বাস-দূরত্বে থাকেন।
ক্ষণে আসেন,
ক্ষণে অন্দরে জায়গা করে নেন।
তাঁর বেঁচে না থাকাটা
অমানবিক।
মানবিক হলে
খরস্রোতা নদীতে জায়নামাজ বিছিয়ে
তিনি সেজদা দিতেন,
পরহেজগার মানুষের কপালের চিহ্নের মতো
বাংলার পানিতে মিশে যেত
তাঁর কপালের আদর।
অ-মিত্র চক্র ভেবেছে
বুঝি মাটি জুটে গেছে
ওদের পায়ের নিচে!
কিন্তু
বুমেরাং হবে এই ঝুট চক্রান্ত।
কেননা,
যেদিন থেকে বঙ্গের সাথে
মিশে গেছে ‘বন্ধু’
সেদিন থেকে
ভূখণ্ডের আদলে,
গতরে,
বক্ষে,
বাহুতে,
চিন্তা-কোষের সরু গলিতে
বঙ্গবন্ধু
মাদুর পেতে আছেন।
আরও কথা আছে…
কথার পিঠে কথা এসে
হিমালয়ের মেঘ হয়ে গিয়েছিল
যেদিন তিনি বলেছিলেন—
“এদেশের মানুষকে
মুক্ত করে ছাড়ব, “ইনশাআল্লাহ।”
সেদিন থেকে
‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দটি
বাংলা হয়ে গিয়েছিল।
এরপর—
অ-নে-ক দিন পার হয়ে গেল…
অমন পবিত্র শব্দ
আমাদের ভাষাতে, আর
প্রবেশ করেনি।

