
‘টাকা ঈশ্বর নয়, কিন্তু ঈশ্বরের চেয়েও কম নয়’। নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘ডেসি ব্লিং’-এর প্রথম পর্বে যখন সতিশকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, তখন তিনি এ কথা বলেন। এই সিরিজটি দুবাইয়ে বসবাসকারী ধনী ভারতীয় প্রবাসীদের বিলাসী জীবনধারা নিয়ে নির্মিত।
সাত পর্বের এই সিরিজ দেখতে দেখতে বোঝা যায়, কেন এএনএএক্স হোল্ডিং-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, উদ্যোক্তা সতিশ সানপাল এমন মন্তব্য করেন। তিনি একজন ব্যবসায়ী। রাজকীয় জীবনযাপন করেন। জানান, তিনি খুব ভালো ইংরেজি বলতে পারেন না। কিন্তু তার মতে, টাকা থাকলে সবকিছুই ঠিকঠাক হয়ে যায়।
সিরিজে সতিশ ও তার স্ত্রী তাবিন্দাকে দর্শকদের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন ভারতীয় অভিনেতা তেজস্বী প্রকাশ এবং করণ কুন্দ্রা। সতিশ বলেন, তাদের ক্ষমতা, প্রভাব এবং অর্থ রয়েছে।
সতিশ মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর থেকে উঠে এসেছেন। সেখানে তিনি ৮০ হাজার রুপি দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু ব্যর্থ হন। ২০ বছর বয়সে তিনি দুবাই চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, যখন আমি দুবাইয়ে আসি, তখন আমার কাছে এক মিলিয়ন দিরহাম ছিল। আমরা প্রথমে এখানে স্বর্ণ ব্যবসা শুরু করি। পরে আমি সফল হই। এখন আমি দুবাইয়ের একজন বিলিয়নিয়ার।
তিনি ২১ বছর বয়সে বিয়ে করেন এবং প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার দুই ছেলে রয়েছে। সতিশ ও তাবিন্দার বিয়ে হয়েছে ৯ বছর আগে এবং তাদের একটি মেয়ে রয়েছে। তার নাম ইসাবেলা। ডাকনাম বেলা। ২০১৮ সালে তিনি এএনএএক্স হোল্ডিংস প্রতিষ্ঠা করেন। এর তিনটি বিভাগ রয়েছে- এএনএএক্স ডেভেলপমেন্টস, এএনএএক্স হসপিটালিটি ও এএনএএক্স ক্যাপিটাল। তাবিন্দা এএনএএক্স ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক। ‘দ্য ট্যাব’-এর তথ্য অনুযায়ী, সতিশ ও তাবিন্দারের সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি (প্রায় ১৪ হাজার কোটি রুপি)।

