
রাজনীতিতে ‘খেলা হবে’ স্লোগান এখন পুরনো। কিন্তু ভোটের ময়দানে নেমে খোদ প্রার্থীই যদি নিজেকে ‘ফুটবল’ দাবি করে বসেন, তবে তাকে নিয়ে চর্চা হওয়াটাই স্বাভাবিক। ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের নির্বাচনে এবার এমনই এক অভিনব মেজাজে অবতীর্ণ হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশামণি। যার প্রচারের ধরণ দেখে ভোটারদের অনেকেই বলছেন— এ তো নিছক ভোট নয়, যেন পাড়ার উৎসব!
কখনো গান গেয়ে সুরের জাদুতে, আবার কখনো জনসভায় দাঁড়িয়ে সরাসরি ‘বিয়ের অফার’ দিয়ে এর আগেই সামাজিক মাধ্যমে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন আশামণি। এবার সেই আবহকেই ভোটের প্রচারে তুরুপের তাস করলেন তিনি। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তার আবেগঘন বার্তা, ‘বিয়েটা ভেঙে দেবেন না। এ বিয়েটা যেন হয়, সেটা দেখার দায়িত্ব আপনাদের। এটা শুধু আমার একার বিয়ে নয়, তরুণ প্রজন্মের আবেগও মিশে আছে এতে।’
তবে কি রাজনীতির ময়দান থেকেই জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করতে চাইছেন তিনি? আশামণির দাবি, জয়ী হয়ে যেন সবাইকে বিয়ের দাওয়াত দিতে পারেন, সেই দোয়াই চাইছেন তিনি।
দলীয় কোনো তকমা গায়ে নেই, নিজেকে জনগণের প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরতেই বেশি স্বচ্ছন্দ এ নেত্রী। তার কথায়, ‘আমি এখন মাঠের ফুটবল। আপনারা আমার খেলোয়াড়। জেতানোর দায়িত্ব আপনাদেরই।’
শিশু থেকে বৃদ্ধ— সবার কাছে অতি পরিচিত ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে এবার হ্যাটট্রিকের আশায় নেমেছেন তিনি। এর আগে দু’বার লড়েছেন, কিন্তু এবার জয়ের ব্যাপারে তিনি রীতিমতো আত্মবিশ্বাসী। তার কথায়, ‘নানা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, সেই রক্ত আমার শরীরে। এবার মাঠ ছাড়ব না।’

