
বর্তমান আর্থসামাজিক পরিস্থিতির কারণে হয়তো সব সময় সবার পক্ষে সম্ভব না, তবে তার মধ্যেও আপনি চাইলে কিছুটা সময় আপনি আপনার বচ্চা, পরিবার বা কাছের মানুষদের নিয়ে একান্তভাবে নিজেদের মতো করে কাটাতে পারেন এবং সেটা উচিৎ। একটু চেষ্টা করলে আপনি খুব বেশি খরচ না করেও এটা করতে পারেন, সে আপনি পৃথিবীর যেখানেই থাকেন না কেন, হয়তো কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে কিন্তু অধিকাংশক্ষেত্রেই সম্ভব, প্রয়োজন শুধু একটু মনমানসিকতা এবং চেষ্টা।
কোথাও ঘুরতে বা বেড়াতে গেলে বা কোনো আউটডোর এক্টিভিটিসে গেলে যেটা খেয়াল রাখা উচিত সেটা হলো সব ধরণের ডিভাইস থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকা, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া। আর খেয়াল রাখা দরকার যাতে করে খেলাধুলা, আনন্দ-মজা বা Fun এর মধ্যে দিয়ে বাচ্চারা যাতে কিছু একটা শিখে। আমরা সেটা সব সময়ই চেষ্টা করি।
এখানে বিশেষ করে গরমের সময় ছাড়া তেমন বাইরে যাওয়া হয় না, তবে যখনই যাওয়া হয় তখনই আমরা সেটা চেষ্টা করি। আল্লার রহমতে বচ্চার সেটা ভালোভাবে ফল করে। আমাদের বাইরে, বিশেষ করে ক্যাম্পিংয়ে গেলে সবার পছন্দের একটি সময় হলো সন্ধ্যায় ক্যাম্পফায়ার এর পাশে বসে সবাই মিলে গল্প করা, কখনো ছোলামুড়ি খাওয়া, কখনো ম্যাশমেলো পোড়ানো। এর সাথে আমরা আলোচনা করি জীবন, পরিবেশ, পরিবার, আচরণ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে। এছাড়া কিভাবে একে অপরকে সাহায্য করা, অন্যের বিপদে সবাই মিলে সহযোগিতা করা, কিভাবে শৃঙ্খলা রক্ষা করা, সেফটি-সিকিউরিটি রক্ষা করা ইত্যাদি। এগুলি কিছুটা কঠিন কথাবার্তা মনে হলেও অনেকসময়ই বাচ্চারা তাদের অজান্তেই খেলাধুলা বা মজার মধ্যে শিখে ফেলে।
অনেক সময় আমরা বাচ্চাদের ধারণা শুনে খুবই অবাক হই। আসলে সব বাচ্চার মধ্যেই Potential লুকিয়ে আছে, আমাদেরকে তাদের জন্য সুযোগ করে দিতে হবে, তাহলেই তারা ফ্লোরিস করবে ইনশাল্লাহ।
নিচে আমাদের গত ক্যাম্পিংয়ের বাচ্চাদের এবং আমাদের পরিবেশের গুরুত্ব এবং ফোকাস নিয়ে কথাবার্তার কিছু অংশ।
খেয়াল করে শুনে দেখবেন, ওরা এই বিষয়ে কতটা জ্ঞান রাখে।
আপনার পরিবারের ছোটোদেরকে দিনের কোনো একটা সময় কিছুক্ষনের জন্যে হলেও কিছু Decent সময় দিন !!!!!!
টরন্টো, কানাডা

