-4.6 C
Toronto
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৭, ২০২২

পাঁচটির জনবল দিয়ে ১০ অঞ্চলের কাজ করছি: তাপস

- Advertisement -

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আগে ওয়ার্ড ছিল ৫৭টি। যা পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। সেখানে এখন দক্ষিণ সিটির ওয়ার্ড সংখ্যা ৭৫টি। অঞ্চল হয়েছে দ্বিগুণ অর্থাৎ ১০টি। কিন্তু জনবল আগের মতোই আছে। আর সেই জনবল দিয়েই সবগুলো ওয়ার্ডকে সেবা দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

- Advertisement -

বুধবার নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের (এসটিএস) উদ্বোধন শেষে মেয়র একথা জানান।

মেয়র তাপস বলেন, ‘আমরা পাঁচটি অঞ্চলের জনবল (সাংগঠনিক কাঠামো) দিয়ে দশটি অঞ্চলের কাজ করছি, সেবা দিচ্ছি। যদিওবা আমাদের আয়তন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, জনসংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু জনবল বাড়েনি। পাঁচটি অঞ্চলের যে জনবল আমাদের নির্দিষ্ট করে দিয়েছে, তা দিয়ে আমরা দশটি এলাকার কাজ সম্পন্ন করছি। সুতরাং আমাদের জন্য কাজটি অত্যন্ত দুরূহ।’

বাকি পাঁচটি অঞ্চলের সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের উচ্চ মহল বা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত বিষয় দ্রুত নিষ্পত্তি করে আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদন দেবে বলে আমরা আশা করছি। তাহলে আমরা আরও জনবল নিয়োগ করে ঢাকাবাসীকে সঠিকভাবে সেবাটা নিশ্চিত করতে পারবো।’

গাড়ি চালকের যে পদগুলো খালি আছে সেগুলো পূরণের জন্য এরইমধ্যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তাপস বলেন, ‘নিয়মিত গাড়ি চালক ও ভারী গাড়ি চালক নিয়োগের ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে একটি বিষয়, আমাদের জনবলের স্বল্পতা রয়েছে। এই স্বল্পতা কাটিয়ে ওঠাটাই আমাদের জন্য বেশি প্রতিকূলতা। আমি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বিশেষ করে জনপ্রশাসন ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে মেয়র তাপস বলেন, ‘এ ব্যপারে আমরা অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি। যিনি পরিবহহন তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে ছিলেন তাকে আমরা কর্মচুত্য করেছি, অপসারণ করেছি। কারণ, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ পাওয়া গেছে, ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাঈম হত্যার পর এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করেছি এবং এ বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখেছি। প্রতিবেদনে যেসব অনিয়ম পাওয়া গেছে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। আমাদের ৯ জন নিয়মিত গাড়ি চালক, যারা ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে গাড়ি চালাত। কিন্তু তারা গাড়ি না চালিয়ে দায়িত্ব অবহেলা করেছে। সে বিষয়টা আমাদের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে এবং তাদেরকে আমরা সাময়িক বরখাস্ত করেছি। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করেছি।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর সিতওয়াত নাঈম, সচিব আকরামুজ্জামান, ৪ নম্বর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হায়দর আলী, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, সাধারণ আসনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইরফান সেলিম, ২৮ নম্বরের কামাল উদ্দিন কাবুল, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর সামসুন নাহার ভূঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : ঢাকাটাইমস

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles