-8.2 C
Toronto
সোমবার, জানুয়ারী ২৪, ২০২২

জনগণকে ভোট দিতে না দিলে না.গঞ্জকে মাগুরা বানিয়ে দেব: তৈমুর

- Advertisement -
অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, নাসিক নির্বাচনে আপনারা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করবেন না। ইভিএম একটা চুরির বাক্স। সঠিকভাবে জনগণ যে রায় দেয় সে রায় আমি মেনে নেব। আপনারা যদি জনগণকে ভোট দিতে না দেন তবে নারায়ণগঞ্জকে মাগুরা বানিয়ে দেব।

তিনি বলেন, আমি রাজপথে বহুবার মার খেয়েছি, গুলি খেয়েছি, জেলও খেটেছি। আমি গুলির ভয় করিনা মার ও জেলের ভয় করি না। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটতে হবে। সরকারি কোনো কারসাজি চলবে না।

- Advertisement -

সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তৈমুর আলম খন্দকার। মনোনয়ন সংগ্রহ করার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তৈমুর।

তিনি বলেন, ২০০৩ সালে দল নমিনেশন দিয়েছিল নির্বাচন করার জন্য। সরকার আমাকে পরিবহন বিষয়ক ট্রেনিং দিয়ে এনেছিল বিদেশ থেকে। আধুনিক বাস ও পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য আমি তখন নির্বাচন করিনি। আমি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ২০১১ সালে দল আমাকে সিটি নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন দেয়। ওই সময় দলীয় স্বার্থে আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার করি। ২০১৬ সালেও আমাকে নমিনেশন দেয়া হয় কিন্তু আমি নির্বাচন করিনি। এখন কেন আমি নির্বাচন করতে আসলাম।

তিনি বলেন, আমার যখন থেকে জ্ঞান হয়েছে তখন থেকে আমি নারায়ণগঞ্জের জনগণের পাশে ছিলাম। রিকশাওয়ালা, ঠেলাগাড়ীওয়ালা, ঝি-চাকরানি, কুলি, মজুর, হকার, ইটাভাটার শ্রমিকসহ এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে আমার অবস্থান ছিল না। নারায়ণগঞ্জে উনিশটা বস্তি ছিল, সেখানে আমার বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র ছিল। আমি আমার মায়ের নামেও বিভিন্ন স্কুল করি।

তৈমুর আরও বলেন, আমি আমার দায়িত্ববোধ থেকে এখানে এসেছি। নারায়ণগঞ্জ শহরকে যারা নেতৃত্ব দিত তারা আজকে নেই। একেএম সামসুজ্জোহা, জালাল উদ্দিন, আলী আহমেদ চুনকা, একেএম নাসিম ওসমান, নাজিম উদ্দিন, কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম তারা আজ নেই। কিন্তু আমি তৈমুর আলম খন্দকার এখনো বেঁচে আছি। আর তাই আমি মনে করি এই নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য আজ আমাকে প্রয়োজন।

তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের চারজন এমপি আছেন একজন মন্ত্রী আছেন। তাদের বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই আচরণবিধি লঙ্ঘন করবেন না। যদি আইনের বিরুদ্ধে কোনো ভূমিকা নেন তাহলে আইনের হাতকড়া হাতে লেগে যাবে। প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles