28.4 C
Toronto
শনিবার, জুন ২৫, ২০২২

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে নারীরা যৌন হয়রানির শিকার

- Advertisement -
অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে নারীরা যৌন হয়রানির শিকার - The Bengali Times
ছবি সংগ্রহ

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পার্লামেন্টে নারী কর্মচারীদের এক-তৃতীয়াংশই কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। দেশটির পার্লামেন্টে যৌন বৈষম্য সংক্রান্ত একটি কমিশনের ‘সেট দ্য স্ট্যান্ডার্ড’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে। মঙ্গলবার পার্লামেন্টে প্রতিবেদনটি উত্থাপন করা হয়।

চলতি বছরের প্রথম দিকে দেশটির এক মন্ত্রীর দপ্তরের ব্রিটানি হিগিন্স নামে সাবেক কর্মচারী অভিযোগ করেছিলেন, তারই একজন সহকর্মী তাকে ধর্ষণ করেছেন। ওই অভিযোগের পর যৌন বৈষম্য সংক্রান্ত একটি কমিশন গঠন করা হয়েছিল বিষয়টি তদন্তের জন্য। এছাড়া ওই ঘটনার পর রাজধানী ক্যানবেরায় এ ধরনের বহু অসদাচরণের অভিযোগ উঠতে থাকে। খবর বিবিসি অনলাইনের।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত ওই কমিশনই তদন্ত করে এই প্রতিবেদন দিয়েছে। ওই কমিশনের কমিশনার করা হয়েছিল কেট জেংকিন্স নামের এক ব্যক্তিকে। প্রতিবেদনটি তিনিই তৈরি করেছেন। প্রতিবেদনটি তৈরি করতে ১,৭২৩ জন ব্যক্তি ও ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।

কেট জেংকিন্স বলেন, এসব ঘটনার শিকার হওয়াদের মধ্যে নারীর সংখ্যা সামঞ্জস্যহীনভাবে বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মচারীদের ৫১ শতাংশেরই কোন না কোন ধরনের নিগ্রহ, যৌন হয়রানি এবং যৌন আক্রমণ বা আক্রমণের চেষ্টার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নারী পার্লামেন্ট সদস্যদের ৬৩ শতাংশই যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। আর নারী রাজনৈতিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এর অনুপাত আরও বেশি।

একজন এমপি নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, উচ্চাকাঙ্ক্ষী পুরুষ রাজনীতিবিদরা এগুলোকে কোনো ঘটনা বলেই মনে করে না। নারীদের উঠিয়ে নেওয়া, ঠোঁটে চুমু দেওয়া, স্পর্শ করা, নিতম্বে চাপড় দেওয়া, নারীর চেহারা নিয়ে মন্তব্য করা- এগুলো সাধারণ ঘটনা।

তিনি বলেন, আমি যেটা বলতে চাই, সংস্কৃতি এটাকে অনুমোদন করেছে, উৎসাহিত করেছে।

এদিকে জেংকিন্স বলেছেন, এসব ঘটনার শিকার এবং তাদের সহযোগীদের জন্য এসব ছিল মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা এবং তা পার্লামেন্টের কাজের মান ক্ষুণ্ণ করেছে, দেশেরও ক্ষতি হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এই প্রতিবেদনে উদঘাটিত তথ্যকে ‘চরম দুঃখজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। যদিও তার বিরুদ্ধে এর আগে অভিযোগ উঠেছিল, নারী সংক্রান্ত এসব ইস্যুর ব্যাপারে মরিসন ‘বধির’ হয়ে থাকেন।

প্রতিবেদনে নেতৃত্বের মান উন্নত করা, নারী-পুরুষের অনুপাত বাড়ানো এবং মদ্যপানের প্রবণতা কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পার্লামেন্টে নারী কর্মচারীদের এক-তৃতীয়াংশই কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। দেশটির পার্লামেন্টে যৌন বৈষম্য সংক্রান্ত একটি কমিশনের ‘সেট দ্য স্ট্যান্ডার্ড’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে। মঙ্গলবার পার্লামেন্টে প্রতিবেদনটি উত্থাপন করা হয়।

চলতি বছরের প্রথম দিকে দেশটির এক মন্ত্রীর দপ্তরের ব্রিটানি হিগিন্স নামে সাবেক কর্মচারী অভিযোগ করেছিলেন, তারই একজন সহকর্মী তাকে ধর্ষণ করেছেন। ওই অভিযোগের পর যৌন বৈষম্য সংক্রান্ত একটি কমিশন গঠন করা হয়েছিল বিষয়টি তদন্তের জন্য। এছাড়া ওই ঘটনার পর রাজধানী ক্যানবেরায় এ ধরনের বহু অসদাচরণের অভিযোগ উঠতে থাকে। খবর বিবিসি অনলাইনের।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত ওই কমিশনই তদন্ত করে এই প্রতিবেদন দিয়েছে। ওই কমিশনের কমিশনার করা হয়েছিল কেট জেংকিন্স নামের এক ব্যক্তিকে। প্রতিবেদনটি তিনিই তৈরি করেছেন। প্রতিবেদনটি তৈরি করতে ১,৭২৩ জন ব্যক্তি ও ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।

কেট জেংকিন্স বলেন, এসব ঘটনার শিকার হওয়াদের মধ্যে নারীর সংখ্যা সামঞ্জস্যহীনভাবে বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মচারীদের ৫১ শতাংশেরই কোন না কোন ধরনের নিগ্রহ, যৌন হয়রানি এবং যৌন আক্রমণ বা আক্রমণের চেষ্টার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নারী পার্লামেন্ট সদস্যদের ৬৩ শতাংশই যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। আর নারী রাজনৈতিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এর অনুপাত আরও বেশি।

একজন এমপি নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, উচ্চাকাঙ্ক্ষী পুরুষ রাজনীতিবিদরা এগুলোকে কোনো ঘটনা বলেই মনে করে না। নারীদের উঠিয়ে নেওয়া, ঠোঁটে চুমু দেওয়া, স্পর্শ করা, নিতম্বে চাপড় দেওয়া, নারীর চেহারা নিয়ে মন্তব্য করা- এগুলো সাধারণ ঘটনা।

তিনি বলেন, আমি যেটা বলতে চাই, সংস্কৃতি এটাকে অনুমোদন করেছে, উৎসাহিত করেছে।

এদিকে জেংকিন্স বলেছেন, এসব ঘটনার শিকার এবং তাদের সহযোগীদের জন্য এসব ছিল মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা এবং তা পার্লামেন্টের কাজের মান ক্ষুণ্ণ করেছে, দেশেরও ক্ষতি হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এই প্রতিবেদনে উদঘাটিত তথ্যকে ‘চরম দুঃখজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। যদিও তার বিরুদ্ধে এর আগে অভিযোগ উঠেছিল, নারী সংক্রান্ত এসব ইস্যুর ব্যাপারে মরিসন ‘বধির’ হয়ে থাকেন।

প্রতিবেদনে নেতৃত্বের মান উন্নত করা, নারী-পুরুষের অনুপাত বাড়ানো এবং মদ্যপানের প্রবণতা কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles