22.1 C
Toronto
শুক্রবার, জুলাই ১২, ২০২৪

আগামী বছর টরন্টোতে সম্পত্তি কর বাড়ছে কি?

আগামী বছর টরন্টোতে সম্পত্তি কর বাড়ছে কি?
পাঁচ মাস দায়িত্ব পালনের পর চাউ কী কী তিনি করেছেন এবং আগামী বছর কী কী করতে চান সে বিষয়ে আলোকপাত করেন

দেশের সবচেয়ে বড় সিটির নেতৃত্ব দেবেন এমন ভাবনা এক বছর আগেও মেয়র অলিভিয়া চাউয়ের মধ্যে আসেনি। গত বছরের ডিসেম্বরের এই সময়ে জন টরি ২০২২ সালের মিউনিসিপাল নির্বাচনে জয়ী হয়ে তৃতীয় মেয়াদের মেয়রের দায়িত্ব কেবল শুরু করেন।

এক সিটি কর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করার পর তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় পদত্যাগ করেন জন টরি। এরপর উপনির্বাচনের প্রস্তাব আনা হয়, যার ফল হিসেবে অলিভিয়া চাউ গত গ্রীষ্মে মেয়র অফিসের দায়িত্ব পান।

- Advertisement -

পাঁচ মাস দায়িত্ব পালনের পর চাউ ২২ ডিসেম্বর সিপি২৪-কে সাক্ষাৎকার দেন। কী কী তিনি করেছেন এবং আগামী বছর কী কী করতে চান সে বিষয়ে আলোকপাত করেন। এমনকি সম্পত্তি কর বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা সে ব্যাপারেও মন্তব্য করেন মেয়র চাউ।

২০২৪ সাল সামনে রেখে এটা গোপন কোনো বিষয় নয় যে, টরন্টোর রাজস্ব বাড়ানো প্রয়োজন। মেয়র নিজেও এই ঘাটতি নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। এখনো এটা একটা সমস্যা। সম্পত্তি কর বাড়ানোর ব্যাপারে কথা বলতে মেয়র নিজেও ভীত নন। তবে পরিমাণটা তিনি বলেননি। মেয়র হিসেবে বেশ কিছুটা সময় এরই মধ্যে তিনি পার করেছেন। বাজেটেও চোখ বুলিয়ে নিয়েছেন। এখন সম্পত্তি কর বাড়ানো হলে সেটা কত? এই প্রশ্নের উত্তরে মেয়র অলিভিয়া চাউ বলেন, এ নিয়ে যারা মন্তব্য করছেন তাদেরকে আমরা এরই মধ্যে বলে দিয়েছি যে, আপনার বাড়িটি যদি খালি রাখেন তাহলে আমরা আপনার ওপর মাশুল ধার্য্য করছি। এ ছাড়া যারা ৩০ লাখ, ৫০ লাখ, ১ কোটি ও ২ কোটি ডলারে বাড়ি কিনছেন তাদের ওপরও কিছুটা মাশুল ধার্য্য করছি। এরই মধ্যে আমরা সেটা করেছি। আমরা বাজেট উন্মুক্ত রেখেছি। ব্যাপার কী লোকজন এখন আমাদের কাছে জানতে চাইছেন।

তাহলে কি সম্পত্তি কর বাড়ছে? এই প্রশ্নের উত্তরে চাউ বলেন, ল্কোজন কী বলছেন সে সব বিকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে বাজেট কমিটি এবং এর ভিত্তিতেই বাজেট প্রণীত হচ্ছে। জনগণের কাছ থেকে শোনা আমরা কেবলই শেষ করেছি। এখনো আমাদের বাজেট তৈরি বাকি আছে।

এমনিতেই ক্রয়ক্ষমতার সংকট চলছে। এই অবস্থায় লোকজন উদ্বিগ্ন এই ভেবে যে, তাদেরকে সম্পত্তি কর বৃদ্ধির প্রস্তুতি নিতে হবে কিনা। মেয়র হিসেবে আপনি তাদেরকে কী বলবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে চাউ বলেন, আমি বলব, আপনাদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।

১০ জানুয়ারি বাজেট শোনা যাবে। এই মহূর্তে বাজেট কমিটি ও সিটি কর্মীদের কাজ নিয়ে কিছু বলতে চাই না আমি। ১ ফেব্রুয়ারি আমি বাজেট পেশ করব এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি বাজেট চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নাগাদ সব কাজ শেষ হয়ে যাবে।

 

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles