12.9 C
Toronto
রবিবার, মে ২৬, ২০২৪

প্রতিশ্রুতি দিয়েও কথা রাখেননি দেব, দাবি তরুণীর

প্রতিশ্রুতি দিয়েও কথা রাখেননি দেব, দাবি তরুণীর
<br >অভিনেতা দেব ও বাবার সঙ্গে চন্দ্রিনী চট্টোপাধ্যায়

তৃণমূলের সংসদ সদস্য (এমপি) অভিনেতা দেব ঘটা করে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েও কথা রাখেননি। সম্প্রতি এমন অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন চন্দ্রিনী চট্টোপাধ্যায় নামের হুগলির এক বাসিন্দা।

এই তরুণী জানান, বাবার চিকিৎসা করাতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হন তিনি। স্বাস্থ্যকার্ড থাকা সত্ত্বেও কোনো বেসরকারি হাসপাতালে এর সুবিধা না পাওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি জানিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই কমেন্ট করে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন দেব। কিন্তু বাস্তবে সেই সাহায্য এখনো পৌঁছায়নি বলেই দাবি তার।

- Advertisement -

ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, অভিনেতা দেব আশ্বাস দেওয়ার পরও কোনো সাহায্য করেননি বলে দাবি করেছেন চন্দ্রিনী। শুধু তাই নয়, অন্যান্য যেসব জায়গা থেকে টুকটাক সাহায্য পাচ্ছিলেন এতদিন, দেব তাকে সাহায্য করবেন বলে জানানোর পর সেই সাহায্য আসাও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সবটা মিলিয়ে বাবার চিকিৎসা করাতে গিয়ে এখন বেজায় ঝামেলার মধ্যে পড়তে হচ্ছে বলে দাবি তার।

হুগলির ধনিয়াখালির বাসিন্দা চন্দ্রিনী কন্ট্রাকচুয়াল কাজ করেন। ২০১৯ সালে নিজের মাকে হারিয়েছেন তিনি। ২০২১ সালে আবারও বিপর্যয় নেমে আসে তার জীবনে। স্ট্রোক হয় তার বাবার। তবে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি।

মা মারা হওয়ার পর আপন বলতে বাবাই রয়েছে চন্দ্রিনীর। তাই তাকে সুস্থ করতে কোনো চেষ্টাই বাকি রাখছেন না তিনি। বাবাকে নিয়ে বেশ কিছু বেসরকারি হাসপাতালে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু স্বাস্থ্যকার্ড থাকা সত্ত্বেও তার কোনো সুবিধাই পাননি বলে অভিযোগ চন্দ্রিনীর। সব হাসপাতালেই বলা হয়েছে, বেড খালি নেই।

এমতাবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়ায় গোটা ঘটনাটা জানিয়েছিলেন চন্দ্রিনী। তার পোস্টে দেবের এক অনুরাগী অভিনেতাকে মেনশন করলে তিনি নিজেই কমেন্ট করেছিলেন। আশ্বাস দিয়েছিলেন, তার টিমের তরফে যোগাযোগ করা হবে।

কিন্তু আশ্বাসই সার। সংবাদমাধ্যমকে চন্দ্রিনী জানান, দেবের টিমের তরফে একজন যোগাযোগ করেছিলেন বটে। কিন্তু তার বাবা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন শুনে আর কোনো ফোন আসেনি।

এদিকে চন্দ্রিনীর দাবি, সরকারি হাসপাতালে কোনো চিকিৎসাই হচ্ছে না তার বাবার। উপরন্তু দেব কমেন্ট করে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় আগে যে একটু আধটু সাহায্য তিনি পাচ্ছিলেন বিভিন্ন জায়গা থেকে সেগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে কার্যত অকূল পাথারে পড়েছেন চন্দ্রিনী।

চন্দ্রিনীর কথায়, ‘এই হাসপাতালে বাবা চিকিৎসা পাচ্ছে না। এদিকে রটে গেছে, দেব নাকি আমায় সাহায্য করছেন, ফলে অন্যান্য যা সাহায্য পাচ্ছিলাম সেটাও এখন আর পাচ্ছি না।’

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles