11.7 C
Toronto
মঙ্গলবার, জুন ২৮, ২০২২

স্ত্রীর ব্যক্তিত্ব নয়, শারীরিক সৌন্দর্যই মুখ্য

- Advertisement -

স্ত্রীর ব্যক্তিত্ব নয়, শারীরিক সৌন্দর্যই মুখ্য - The Bengali Times

পুরুষের কাছে সুখী বিবাহিত জীবনের চাবিকাঠি হলো স্ত্রীর শারীরিক সৌন্দর্য, তাঁর ব্যক্তিত্ব বা আচরণ নয়। তবে স্ত্রীদের জন্য একই সূত্র প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছেন এক গবেষণা। ‘ডেইলি মেইল’-এর এক খবরে বুধবার বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের এক গবেষক জানিয়েছেন, যেসব পুরুষের স্ত্রীরা আকর্ষণীয় তাঁদের বিবাহিত জীবন অপেক্ষাকৃত সুখী এবং টেকসই।

অবশ্য নারীদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে। ওই গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের বিবাহিত জীবনের সুখ বা স্থায়িত্বের ওপরে স্বামীর বাহ্যিক সৌন্দর্যের তেমন কোনো প্রভাব নেই। খবরে বলা হয়, সাউদার্ত মেথোডিস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেডম্যান হিউম্যানিটিস অ্যান্ড সায়েন্সেস কলেজের মনোবিজ্ঞানী আন্দ্রিয়া মেল্টজার ৪৫০টির বেশি নববিবাহিত দম্পতির ওপরে চার বছর ধরে গবেষণা করে তাঁর প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। পুরো কাজটির জন্য চারটি ভিন্ন দম্পতি দলের ওপরে পৃথক পৃথক গবেষণা চালানো হয়েছে।

এ গবেষণার আগে, একটি বিশেষ গবেষক দল দম্পতির প্রত্যেকের আকর্ষণ ক্ষমতার মাত্রা নির্ধারণ করেন। এরপর প্রতিবছর অন্তত আটটি সময়ে স্বামী-স্ত্রীকে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁরা কতটুকু সুখী, তাও এ সময়ে তাঁদের জিজ্ঞাসা করে মাত্রা নির্ধারণ করতে বলা হয়।

প্রতি দম্পতির ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বিয়ের প্রথম বছরে স্ত্রীর চেয়ে স্বামীরা বেশি সুখী। তবে ধীরে ধীরে কেবল আকর্ষণীয় স্ত্রীদের স্বামীরাই বেশি সুখী থেকেছেন। এমন স্ত্রীরাও বিয়েতে সুখী বলে জানিয়েছেন। গবেষকেরা বলছেন, যখন স্বামী সুখী হয়, তখন বিবাহিত জীবনও সুখী বলে প্রতিভাত হয়েছে।

গবেষক মেল্টজার দাবি করেন, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ওপরে দম্পতিদের শারীরিক সৌন্দর্যের যে বড় প্রভাব রয়েছে, তা গবেষণা থেকে বেরিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, স্বামীদের সুখের ওপরে স্ত্রীদের সৌন্দর্যের প্রভাব খুবই তাত্পর্যপূর্ণ। তবে স্ত্রীদের সুখের ওপরে স্বামীদের সৌন্দর্যের প্রভাব একেবারেই নেই।

পুরুষেরা হালকা চিন্তা করে বলেই গবেষণায় এমন ফল পাওয়া গেছে, তা নাও হতে পারে। বরং পুরুষেরা সহজেই স্ত্রীদের সৌন্দর্যের প্রশংসা করে বলে এ ধরনের ফল এসেছে। ২০০৮ সালে বেনজামিন কার্নে নামের আরেক গবেষক একই ধরনের গবেষণা করে একই ফল পেয়েছিলেন।

কার্নে বলেছিলেন, সুন্দর স্ত্রী পেয়ে স্বামীরা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করেন। এ ধরনের স্ত্রীদের সঙ্গে তাঁরা ভালো ব্যবহার করেন এবং তাঁদের ছেড়ে যেতে চান না। এমনকি সম্পর্ক কোনো ঝামেলায় পড়ুক তাও তাঁরা চান না। এ ভাবে স্ত্রীতে সুখী হয়ে, বিবাহিত জীবনেও সুখী হওয়া যায়।
গবেষক মেল্টজার দাবি করেন, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ওপরে দম্পতিদের শারীরিক সৌন্দর্যের যে বড় প্রভাব রয়েছে, তা গবেষণা থেকে বেরিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, স্বামীদের সুখের ওপরে স্ত্রীদের সৌন্দর্যের প্রভাব খুবই তাত্পর্যপূর্ণ। তবে স্ত্রীদের সুখের ওপরে স্বামীদের সৌন্দর্যের প্রভাব একেবারেই নেই।

পুরুষেরা হালকা চিন্তা করে বলেই গবেষণায় এমন ফল পাওয়া গেছে, তা নাও হতে পারে। বরং পুরুষেরা সহজেই স্ত্রীদের সৌন্দর্যের প্রশংসা করে বলে এ ধরনের ফল এসেছে। ২০০৮ সালে বেনজামিন কার্নে নামের আরেক গবেষক একই ধরনের গবেষণা করে একই ফল পেয়েছিলেন।

কার্নে বলেছিলেন, সুন্দর স্ত্রী পেয়ে স্বামীরা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করেন। এ ধরনের স্ত্রীদের সঙ্গে তাঁরা ভালো ব্যবহার করেন এবং তাঁদের ছেড়ে যেতে চান না। এমনকি সম্পর্ক কোনো ঝামেলায় পড়ুক তাও তাঁরা চান না। এ ভাবে স্ত্রীতে সুখী হয়ে, বিবাহিত জীবনেও সুখী হওয়া যায়।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles