কানাডায় ব্যবহৃত বিদ্যুতের ৫৬ শতাংশই এসেছে তেল ও গ্যাস থেকে

- Advertisement -

বুধবার প্রকাশিত ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) ওয়ার্ল্ড এনার্জি আউটলুকে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে

কোন উৎস থেকে কানাডা কি পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহার করছে সে তথ্য প্রকাশ করেনি আইইএ। তবে এ বছরের গোড়ার দিকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিপি দেখিয়েছে, ২০২০ সালে কানাডিয়ানরা যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন তার ৬১ শতাংশের উৎস ছিল তেল ও গ্যাস। ২৫ শতাংশের জোগান এসেছে জলবিদ্যুৎ থেকে। এছাড়া ৬ শতাংশ ছিল পারমানবিক বিদ্যুৎ, ৪ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং ৩ দশমিক ৭ শতাংশের উৎস ছিল কয়লা।

বিপির তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বাকভাবে ব্যবহৃত বিদ্যুতের ৫৬ শতাংশই এসেছে তেল ও গ্যাস থেকে। এছাড়া ২৭ শতাংশ উৎস কয়লা, ৪ শতাংশ পারমানবিক বিদ্যুত, ৭ শতাংশ জলবিদ্যুৎ ও ৫ দশমিক ৬ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালান।

- Advertisement -

উল্লেখ্য, ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শন্যে নামিয়ে আনতে গত বসন্তে একটি আইন পাস করেছে কানাডা। তবে আইন পরিপালনে নীতিমালা কি হবে তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

জ্বালানি দক্ষ হওয়ার উদ্যোগ সত্ত্বেও বর্তমানের মতো আগামীতেও বিদ্যুতের শীর্ষ ভোক্তা দেশের কাতারে থাকবে কানাডা। বুধবার প্রকাশিত ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) ওয়ার্ল্ড এনার্জি আউটলুকে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -

আন্তর্জাতিক এ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর জনপ্রতি কানাডিয়ানরা ৩০০ গিগাজুলের বেশি জ¦ালানি খরচ করেছেন। এটা বৈশ্বিক গড়ের তিনগুন এবং বিশ্বে সর্বোচ্চ। গত বছর কানাডার জ্বালানি ব্যবহার ছিল আমেরিকানদের চেয়ে সামান্য বেশি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাহিদার দ্বিগুন।

- Advertisement -

সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, বাড়িগুলোকে অধিক জ্বালানি দক্ষ, পাওয়ার গ্রিড থেকে জীবশ্ম জ¦ালানি বাতিল এবং সড়কে অধিক সংখ্যক বৈদ্যুতিক গাড়ি নামানোর ফলে ২০৩০ সাল নাগাদ কানাডায় জনপ্রতি জ¦ালানির ব্যবহার ৩০০ গিগাজুলের নিচে নেমে আসবে। তারপরও এটাই হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ জ্বালানি ব্যবহার। ভারত, চীন ও মধ্যপ্রাচ্যে জ¦ালানি চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস সত্ত্বেও কানাডায় জ্বালানির ব্যবহার বৈশ্বিক গড়ের তিনগুন থাকবে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles