6 C
Toronto
বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৮, ২০২৩

যেসব খাবার প্রতিদিন খাওয়া উচিৎ নয়

যেসব খাবার প্রতিদিন খাওয়া উচিৎ নয়

সুস্থ শরীরের জন্য চাই স্বাস্থ্যকর খাবার। ক্যালোরি কম এবং পুষ্টি বেশি। এটা শরীর সুস্থ তো রাখেই, মনকেও তরতাজা রাখতে সাহায্য করে। আয়ুর্বেদ থেকে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান পর্যন্ত তাই বুঝে-শুনে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে।

- Advertisement -

অনেকেই জানেন না যে, এমন কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত খেলে মানসিক অস্থিরতা বাড়ে। ঘুম চলে যায়। এমনকী অনেকে দুঃস্বপ্নও দেখেন। তাই কিছু খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষ করে রাতে। কোনগুলো? তাহলে সেটাই এ-বার দেখে নেওয়া যাক।

পনির
পনিরে প্রচুর পরিমাণে ট্রিপটোফ্যান রয়েছে। এটা ঘুমে সহায়ক হরমোন সেরোটোনিনের নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, রাতে বেশি পনির খেলে ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। এমনকী অনেকে দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে পর্যন্ত ওঠেন। ব্রিটিশ পনির বোর্ডের মতে, স্টিলটন পনির সবচেয়ে খারাপ। রাতে একদমই খাওয়া উচিত নয়।

আরও পড়ুন :: দাঁত বাঁচাতে চান? ধূমপান ত্যাগসহ যে নিয়মগুলো অবশ্যই মানতে হবে

পাস্তা
পাউরুটি এবং পাস্তা স্টার্চ এবং কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ, যা শরীরে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয় এবং চিনিযুক্ত খাবারের মতো একই প্রভাব ফেলে। অনিয়মিত ঘুম এবং দুঃস্বপ্নের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

চকলেট
একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, চকলেটে কফির মতোই অত্যধিক ক্যাফিন রয়েছে। এটা ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে। শরীর গরম হয়ে যায়। অনিয়মিত ঘুম এবং দুঃস্বপ্নের শিকার হতে হয়।

চিপস
ফ্রন্টিয়ার্স অফ সাইকোলজির একটি সমীক্ষা অনুসারে, চিপসের মতো খাবারে প্রচুর পরিমাণে চর্বি থাকে, যা হজম হতে সময় লাগে। রাতে এগুলি খেলে অনিয়মিত ঘুম হয়, যা প্রায়শই দুঃস্বপ্নেও পরিণত হতে পারে।

আরও পড়ুন :: কিশমিশ খেলে মিলবে ৭ স্বাস্থ্য উপকারিতা

হট কোকো
চিনি, দুধ এবং কোকো পাউডার মিশিয়ে তৈরি হয় হট কোকো। এটা শরীর গরম করে দেয়। রাতে খেলে পাচনতন্ত্রে সমস্যা হতে পারে। রক্তচাপ বেড়ে যায়। ফলে অনেকেই দুঃস্বপ্ন দেখেন।

দই
আয়ুর্বেদ অনুসারে রাতে দই খেলে শ্লেষ্মা হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াও বাধাপ্রাপ্ত হয়। এখানেই শেষ নয়, দই মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহকেও প্রভাবিত করে।

সোডা
সোডায় প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং ক্যাফিন রয়েছে, যা ঘুমের সময়ও মস্তিষ্ককে সরাসরি উদ্দীপিত করে এবং অপ্রীতিকর স্বপ্ন দেখায়।

হট স্যস
হট স্যসের অত্যধিক ব্যবহারে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এটা ঘুমের আরইএম (দ্রুত চোখের গতি) বদলে দেয়। ফলে মানুষ দুঃস্বপ্ন দেখে।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles