3.4 C
Toronto
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২২

বিশ্বব্যাংকের কাছে আরও ঋণ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংকের কাছে আরও ঋণ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য কনসেশনাল আইডিএ তহবিল থেকে বিশ্বব্যাংকের কাছে আরও ঋণ সহায়তা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

- Advertisement -

আজ রোববার সচিবালয়ে ঢাকা সফররত বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইসারের সঙ্গে বৈঠকে এই সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক। ১৯৭২ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রমে বিশ্বব্যাংক ৩৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ ও অনুদান সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে অর্থছাড় করা হয়েছে ২৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। আমরা এ পর্যন্ত সুদ ও আসল মিলে ৬ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছি।’

বিশ্বব্যাংক ২০২৩-২০২৭ অর্থবছরের জন্য কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক প্রস্তুত করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশগত পুনরুদ্ধার এবং ঢাকা শহরের চারপাশের নদীগুলোর নাব্যতা নিশ্চিত এবং ঢাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য আমাদের অনুরোধে বিউটিফিকেশন অব ঢাকা নামে একটি টেকনিক্যাল অ্যাসিসটেন্সি (কারিগরি সহায়তা) প্রকল্প নিয়ে তারা কাজ করছে। এর ফলে হাতিরঝিলের মতো ঢাকার আশপাশের নদীগুরোর সোন্দর্য বাড়বে এবং চলাচলের পথ সৃষ্টি হবে। বিশ্বব্যাংক এতে অর্থায়ন করতে সম্মত হয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী জানান, ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে ১ বিলিয়ন বাজেট সাপোর্ট পেয়েছে বাংলাদেশ। চলতি অর্থ বছরে আরও ৫০০ মিলিয়ন বাজেট সাপোর্ট পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, ‘গ্রিন, রেসিলিয়েন্স, ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট (গ্রিড) ডিপিসির ২৫০ মিলিয়ন করে আগামী ২ অর্থবছরে ৫০০ মিলিয়ন পাওয়া যাবে মর্মে প্রত্যাশা করছি। ২০২৩-২০২৫ সাল মেয়াদে পাইপলাইনে রয়েছে ৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ প্রস্তাব।’

এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সভায় বিশ্বব্যাংকের ভাইস-প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়োচিত পদক্ষেপেরও প্রশংসা করেন। এছাড়া বৈঠকে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান ও ভবিষ্যতে শুরু হবে, এমন সব প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সভায় অন্যদের মধ্যে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান, বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক এবং গুয়াংজে চেন, রিজিয়নাল ডিরেক্টর ও ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যানড্যান চেন উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : আমাদের সময়

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles