প্রচ্ছদ আন্তর্জাতিক ৬০ জনের নয়, নিজের গোপন ভিডিও পাঠিয়েছিলেন ছাত্রী

৬০ জনের নয়, নিজের গোপন ভিডিও পাঠিয়েছিলেন ছাত্রী

36

ভারতের পাঞ্জাবের চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের গোপন ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। গোসলের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার কথা অস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাদের প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টি উঠে এসেছে বলে দাবি। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই দাবি ভূয়া বলে দাবি করেছে শিক্ষার্থীদের। তাদের দাবি, বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান।

চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয় প্রো চ্যান্সেলর ড. আর এস বাওয়া বলেন, ৬০ জন পড়ুয়ার এমএমএস ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভূয়া এবং ভিত্তিহীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে প্রাথমিক তদন্ত করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, অভিযুক্ত ছাত্রী নিজের গোপন ভিডিও রেকর্ড করেছিলো। সেই ভিডিও নিজের প্রেমিককে পাঠিয়েছিলা। অন্য কারোর গোপন ভিডিও রেকর্ড করা হয়নি।

আরও পড়ুন :: মদিনায় নতুন স্বর্ণের খনির সন্ধান পেল এসজিএস

পুলিশের তরফেও এমনই দাবি করা হয়েছে। মোহালির এসএসপি বিবেক সোনি জানান, একটি মাত্র ভিডিও পাওয়া গিয়েছিলো। অভিযুক্ত ছাত্রীটি নিজের গোপন ভিডিও প্রেমিককে পাঠিয়েছিলেন। একইসঙ্গে আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

পুলিশ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি মানতে নারাজ বিক্ষোভকারীরা। তাদের দাবি, অভিযোগটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাই এধরনের কথা বলা হচ্ছে। অভিযোগটি সত্যি নাকি গুজব, তা জানতে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত ছাত্রী লুকিয়ে লুকিয়ে মেয়েদের গোসলের দৃশ্য রেকর্ড করতেন বলে অভিযোগ। তারপর সেই ভিডিও হিমাচল প্রদেশের শিমলার বাসিন্দা এক বন্ধুর কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। সেখানে এমএমএস বানিয়ে ওই ভিডিও নেটমাধ্যমে আপলোড করে দেওয়া হতো। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা।

শনিবার রাতে উত্তাল হয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বিক্ষোভ চলাকালীন জ্ঞান হারান এক ছাত্রী। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযোগ, গোসলের দৃশ্য ভাইরাল হওয়ার লজ্জায় আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই ছাত্রী। যদিও পুলিশ সে কথা মানতে চায়নি।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন