8.6 C
Toronto
বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২

স্ত্রী খুনের মামলায় বাবুলসহ ৭ জনের নামে অভিযোগপত্র

- Advertisement -

স্ত্রী খুনের মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারসহ ৭জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টম্বর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম পিবিআই পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় অভিযোগপত্র জমা দেন আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুখ।

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম নগরের জিইসি এলাকায় বাবুলের স্ত্রী মাহমুদাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বাবুলের অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের জেরে বাবুলের পরিকল্পনায় স্ত্রী মাহমুদাকে খুন করা হয়। এ জন্য বাবুল তার সোর্সের (তথ্যদাতা) মাধ্যমে তিন লাখ টাকায় খুনি ভাড়া করেন বলে ওই অভিযোগপত্রে বলা হয়।

অভিযোগপত্রে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তিনি ছিলেন এ মামলার বাদী। বাকি ছয় আসামি হলেন-মো. কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা, মো. মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. খাইরুল ইসলাম ওরফে কালু ও শাহজাহান মিয়া।

সাত আসামির মধ্যে বাবুল, ওয়াসিম, শাহজাহান ও আনোয়ার করাগারে রয়েছেন। জামিনে আছেন এহতেশামুল। আর শুরু থেকে মুসা ও কালু পলাতক রয়েছেন।

অভিযোগপত্রে সাইদুল ইসলাম শিকদার ওরফে সাক্কু, নুরুন্নবী, মো. রাশেদ ও আবু নাছেরকে চারজনকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাশেদ ও নুরুন্নবী ঘটনার পরের সপ্তাহে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম নগরের জিইসি এলাকায় বাবুলের স্ত্রী মাহমুদাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। পরদিন ৬ জুন বাবুল বাদী হয়ে নগরের পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পিবিআই গত বছরের ১২ মে এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

একই দিন বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় বাবুলসহ আটজনকে আসামি করা হয়। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করে অভিযোগপত্র দেয় পিবিআই।

Related Articles

Latest Articles