14.1 C
Toronto
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২

আরও বিদ্যুৎকেন্দ্র চায় অন্টারিও

- Advertisement -
জ্বালানি মন্ত্রী টডর স্মিথ নতুন গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধান বন্ধ রাখতে বলেছেন

চাহিদা বাড়তে থাকায় এবং প্রধান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির অবসরে যাওয়ার সময় হয়ে আসায় আরও বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীর খোঁজে রয়েছে অন্টারিওর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। সরকার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর থেকে নির্ভরতা বন্ধ করার কথা চিন্তা করায় প্রাকৃতিক

গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়বে। এর অর্থ হচ্ছে বিদ্যুৎ খাত থেকে আগামী অন্তত দুই দশকে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন বাড়বে।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইলেক্ট্রিসিটি সিস্টেম অপারেটরের (আইইএসও) প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০৩৮ সালের মধ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ির কারণে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন যে পরিমাণে হ্রাস পাবে বিদ্যুৎ খাত থেকে বাড়বে তার চেয়েও বেশি।

স্বল্প মেয়াদে আরও গ্যাস উৎপাদনের প্রয়োজন হবে বলে আইইএসও মেনে নিলেও জ্বালানি মন্ত্রী টডর স্মিথ নতুন গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধান বন্ধ রাখতে বলেছেন। ইলেক্ট্রিসিটি গ্রিডকে আমরা কার্বন নিরপেক্ষ দেখতে চাই।

এনডিপির অন্তবর্তী নেতা ও দলের এনার্জি ক্রিটিক পিটার ট্যাবান্স বলেন, সরকার গ্যাসের ওপর জোর দিচ্ছে। একই সময়ে তাতে দাড়িও টানছে।

ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসরের এনভায়রনমেন্টাল এনার্জি ইনস্টিটিউটের পরিচালক রাপ কারিভো বলেন, অন্টারিওর উচিত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন থেকে সরে আসা। কিন্তু সেটা করা বেশ কঠিন। এটা অবিশ^াস্য রকমভাবে নির্ভরযোগ্য এবং দক্ষ। এখন পর্যন্ত এটা সাশ্রয়ীও। কিন্তু আমার কাছে যেটা হতাশার তা হলো নবায়নযোগ্য জ¦ালানিতে এখন পর্যন্ত যথেষ্ট জোর দেওয়া হচ্ছে না।

২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে জনরোষের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিদ্যুতের মূল্য। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারের মর্যাদা হারায় লিবারেল পার্টি। লিবারেলদের সবুজ জ্বালানি উদ্যোগের ফলে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুন হয়ে যায়। ভোক্তাদের বাজার মূল্যের চেয়ে উৎপাদকদের বেশি মূল্য পরিশোধ করতে হয়।

গত বছর উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের ১৪ শতাংশ এসেছিল পিকারিং নিউক্লিয়ার জেনারেশন স্টেশন থেকে এবং ২০২৪ সালে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অবসরে যাচ্ছে। অন্য পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও এই দশকেই মেরামতে যাবে এবং কিছু কেন্দ্র সেবার বাইরেও থাকবে। এরপর কেন্দ্রগুলো উৎপাদনে ফিরলেও বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি থেকেই যাবে। এর কারণ, পরিবহন খাতে ব্যাপক পরিসরে বিদ্যুতায়ন।

বৈদ্যুতিক গাড়ি ও গণপরিবহনে বিদ্যুতায়ন বেড়ে যাওয়ার কারণে ২০৩৫ সাল থেকে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব উৎপাদক তাদের চুক্তি নবায়ন করলেও চাহিদা ও সরবরাহকৃত বিদ্যুতের মধ্যে ঘাটতি থাকবে ৫ হাজার মেগাওয়াট, গ্রীষ্মকালে ৫০ লাখ গৃহে আলো জ¦ালানোর জন্য যা যথেষ্ট।

Related Articles

Latest Articles