6 C
Toronto
রবিবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৪

আসামিকে মারধর করে জনরোষের শিকার পুলিশ

আসামিকে মারধর করে জনরোষের শিকার পুলিশ

গাজীপুরের শ্রীপুরে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে মারধর করায় জনরোষের শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করেন এবং একই সঙ্গে আসামিকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যান।

- Advertisement -

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে শ্রীপুর পৌর এলাকার কেওয়া পূর্ব খন্ড গ্রামের গাঢ়োপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই আসামিকে নিয়ে থানায় যান। পরোয়ানাভুক্ত আসামি আবুল কালাম (৪৫) ওই এলাকার মো. শাফিজ উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয় লোকজন দ্বারা অবরুদ্ধ ওই দুই পুলিশ সদস্যদের মধ্যে একজন হলেন শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন।

আসামি আবুল কালামের স্ত্রী পারভীন আক্তার বলেন, সন্ধ্যার পর তার স্বামী বাড়ির বাইরে যান। এসময় সিভিল পোশাকে পুলিশ পরিচয়ে এসে তাকে মারধর করে উলঙ্গ করে ফেলেন তারা। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গেলে তাকে (আবুল কালাম) মারধর করার কারণ পুলিশ সদস্যের কাছে জানতে চান। এসময় ওই দুই পুলিশ সদস্য তাকেও দুইটি লাথি মারেন। তাকে মারধরের প্রতিবাদ করলে পাশের একটি সেলুনে নিয়ে আবুল কালামকে আটকে রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, আমার স্বামী শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলাসহ কয়েকটি মামলা রয়েছে। সব মামলাতেই তিনি জামিনে রয়েছেন। তবুও প্রায়ই এসে পুলিশ গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না পেলেই হয়রানি করে।

ঘটনাস্থলের পাশেই আখের রস বিক্রি করেন জাহাঙ্গীর। তিনি জানান, হঠাৎ পুলিশের দুই সদস্য এসে কালামকে মারধর করে গাড়িতে উঠাতে শুরু করেন। বাজারে থাকা লোকজনের প্রতিবাদ করলে পুলিশ কালামকে নিয়ে পাশের একটি সেলুনে আটকে মারধর করে। আমি কালামকে মারধরে বাধা দিলে আমাকেও মারধর করে পুলিশ সদস্যরা।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরোয়ানা ভুক্ত আসামিকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বাকি বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles