25.3 C
Toronto
শনিবার, জুন ২৫, ২০২২

প্রেমিকাকে বিয়ের আগে-পরে বিক্রি, পাচারের সময় ‘ধর্ষণ’

- Advertisement -
প্রেমিকাকে বিয়ের আগে-পরে বিক্রি, পাচারের সময় ‘ধর্ষণ’ - The Bengali Times
প্রতীকী ছবি

ফেসবুকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সোহেলের সঙ্গে প্রেম হয় এক নারীর। পরে সোহেল কৌশলে প্রেমিকাকে ভারতীয় পাচারকারীর হাতে তুলে দেন। ভারতে নিয়ে যাওয়ার পথে একাধিকবার পাচারদলের সদস্যরা ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই নারী।

এ ঘটনায় পাটগ্রাম থানা পুলিশ শনিবার অভিযান চালিয়ে পাচারদলের সদস্য আশরাফুল ইসলাম, মোকছেদুল হক, চম্পা বেগম নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছেন।

আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাটগ্রাম থানার ওসি ওমর ফারুক। তিনি বলেন, এ ঘটনার মূলহোতা সোহেল মিয়া বেতাপুর গ্রামের কিবরিয়ার ছেলে। তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পাটগ্রাম থানা সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে ৩ বছর আগে পরিচয়ের পর প্রেম হয় তাদের। তারপর প্রেমিক সোহেল এবং ওই নারী অবৈধভাবে সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। সেখানে প্রেমিকাকে দিয়ে জোরপূর্বক দেহব্যবসা করানোর চেষ্টা করেন সোহেল।

ওই নারী বিষয়টি বুঝতে পেরে কলকাতা থেকে কৌশলে একই পথে দেশে পালিয়ে আসেন। কিছু দিন পরও দেশে আসেন সোহেল।

এরপর চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ আদালতে তারা বিয়ে করেন। কিছু দিন পর অন্তঃসত্ত্বা হন ওই নারী অর্থাৎ সোহেলের স্ত্রী।

কিন্তু বিয়ের পরও সোহেল তার স্ত্রীকে পাচার করতে পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে পাঠিয়ে দেয়। ১৩ মে ভোরে পাচারকারীরা তাকে ওই উপজেলার দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করে দেয়।

আবার ওই নারীকে ধর্ষণ করে পাচার দলের সদস্য মোকছেদুল। ভারতে প্রবেশের পর বুঝতে পারেন তার স্বামী তাকে পাচারকারীদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। ১৫ মে রাতে আবারও কৌশলে দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ফিরে আসেন ওই নারী।

দেশে ফেরার পর আশরাফুল ইসলাম নামের অপর এক পাচারকারী দলের সদস্য তাকে ধর্ষণ করেন। টাকার জন্য তাকে ১৫ মে থেকে আটকে রাখেন পাচার দলের সদস্যরা। সেখান থেকেও কৌশলে পালিয়ে পাটগ্রাম থানায় আশ্রয় নেন তিনি।

ওসি ওমর ফারুক বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ইতোমধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূল হোতা প্রেমিক থেকে স্বামী হওয়া সোহেলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles