11.7 C
Toronto
মঙ্গলবার, জুন ২৮, ২০২২

টরন্টোর লুটেরা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে কিছু কথা

- Advertisement -
টরন্টোর লুটেরা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে কিছু কথা
টরন্টোর লুটেরা বিরোধী মঞ্চের বিজয় শোভাযাত্রা

যখনই আপনি কোন ভাল কাজের উদ্যোগ নিবেন তখনই কেউ কেউ নানাভাবে সেটাকে বিশ্লেষণ করেন, দেখার চেষ্টা করেন। টরন্টোর লুটেরা বিরোধী আন্দোলনটাকে কেউ কেউ নানাভাবে দেখছেন। কেউ কেউ লুটেরাদের চক্রান্তে পা দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে চান। তারা বলতে চান এখানে যারা অন্যায় করেন, সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি দেন কিংবা সরকারী বাসায় থাকেন, ক্যাশে কাজ করেন তারাও অন্যায়কারী। তারাও কেউ কেউ লুটেরা বিরোধী আন্দোলনে আছেন। যেহেতু তারা ছোট অন্যায়কারী সুতরাং সুযোগ পেলে তারাও হাজার কোটি টাকা লুট করতো!

এদের কথা শুনলে মনে হয় হয়, হাজার কোটি কেন, লক্ষ কোটি টাকা লুট হয়ে গেলেও প্রতিবাদ না করে চুপ থাকা ভাল। এরা আসলে প্রকারন্তরে লুটেরাদের সহযোগী। কেউ কেউ না বুঝেও এ ধরনের অপপ্রচার করে লুটেরাদের ফাঁদে পা দিচ্ছেন।

বুঝতে হবে দেশ থেকে যে টাকা লুট হয়ে বিদেশে যায় সেটা জাতীয় সম্পদ, সেখানে সবার স্বার্থ লুন্ঠিত হয়ে যাচ্ছে। যে চুপ করে থাকবে তার স্বার্থও লুন্ঠিত হবে, যে সরব থাকবে তার স্বার্থও লুন্ঠিত হবে। কাজেই নিজের প্রতিবাদ করার সামর্থ না থাকলে অন্য যারা প্রতিবাদ করবে তাদেরকে সমর্থন দিতে না পারলেও তাদের আন্দোলন, সময় ও প্রচেষ্টাকে কটাক্ষ বা বিভ্রান্ত করা ঠিক নয়।

একটি আন্দোলনে সব ধরনের লোকই থাকতে পারে। চোর, ডাকাত, ভাল মানুষ সব ধরনের। মুল কথা হলো, নেতৃত্ব ও লক্ষ্য ঠিক থাকলে আন্দোলন তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছুতে বাধ্য।

যারা জাতীয় স্বার্থের আন্দোলনকে সরলীকরণে বিভ্রান্ত করেন তাদের জন্য একটা গল্প মনে পড়লো। একজন অপরজনকে জিজ্ঞেস করলো, গ্রামার কাকে বলে?

অপরজন উত্তর দিল, যারা গ্রামে থাকে তাদের গ্রামার বলে। যারা বাংলাদেশের গ্রামে থাকে তারা হলো বাংলা গ্রামার, আর যারা বিদেশের গ্রামে থাকে তারা হলো ইংলিশ গ্রামার।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles