9.8 C
Toronto
সোমবার, অক্টোবর ১৮, ২০২১

এয়ার কানাডার নতুন পরিকল্পনা

ছবি ফিনান্সিয়াল পোস্ট

করোনা মহামারির এই সময়ে কানাডায় অনেকেই বাড়িতে বসে কাজ করেছেন। শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর গতি আগের মতো আর নেই। বিধিনিষেধের শিথিলতায় রেস্টুরেন্ট খুলতে শুরু করলেও তেমন ব্যবসা করতে পারছে না। ক্ষুদ্র আকারের অনেক ব্যবসায়ই স্তিমিত হয়ে আছে। বন্ধ হয়ে গেছে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। করোনার থাবায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এয়ারলাইন্স ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসা। আর এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বেগ পেতে হবে। বৈশ্বিক মহামারি করোনায় কানাডায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এয়ার লাইন্স ব্যাবসা। এ পেশার শ্রমজীবী নারী ও পুরুষ অনেকেই ইতোমধ্যে তাদের পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়েছেন। তবে, কানাডায় এয়ার কানাডা ভ্রমণের চাহিদা বৃদ্ধির প্রত্যাশায় কর্মচারীদের পুনরায় ডাকবে। এয়ার কানাডা জানিয়েছে, ভ্রমণের চাহিদা বৃদ্ধির জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার কারণে তারা ২ হাজার ৬শ’ জনেরও বেশি কর্মচারীকে পুনরায় ডাকবে। এছাড়াও কর্মচারীদের পুনর্বাসিত করার জন্য বিমানের ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্টসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মচারীদের জুন এবং জুলাই মাসে পর্যায়ক্রমে ফিরিয়ে আনা হবে।

এয়ার কানাডার মুখপাত্র পিটার ফিৎজপ্যাট্রিক বলেন, বিমান সংস্থাগুলো শ্রমিকদের পুনরায় ডাকছে; কারণ ভ্যাক্সিনেশনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, কোভিড-১৯ শনাক্তের পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞাগুলো সহজ হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এ প্রক্রিয়া কর্মচারীদের পুনরায় ডাকা, এয়ারলাইনের নেটওয়ার্ক পুনর্নির্মাণ এবং ভ্রমণের প্রত্যাশিত চাহিদা মেটাতে তাদের প্রচেষ্টার অংশমাত্র।

এয়ার কানাডা গত মার্চ মাসে সংকট শুরু হওয়ার পর কয়েক হাজার শ্রমিককে চাকরি থেকে ছাঁটাই করেছিল।

অন্যদিকে দেশের বৃহত্তম এয়ারলাইনসও বলেছে ফ্লাইট বা অবকাশ প্যাকেজের রিফান্ডের জন্য অনুরোধের সময়সীমা ১২ জুলাই পর্যন্ত ৩০ দিন বাড়ানো হয়েছে। রিফান্ড নীতিটি এপ্রিলের ১৩ তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ৯২% অনুরোধ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে যোগ্য গ্রাহকদের প্রায় ৪০ শতাংশ রিফান্ডের জন্য অনুরোধ করেছেন।

- Advertisement - Visit the MDN site

Related Articles

- Advertisement - Visit the MDN site

Latest Articles