বৃষ্টি মেধাবী ছিল এবং সব সময় হাসিখুশি থাকত : সহপাঠী

বৃষ্টি মেধাবী ছিল এবং সব সময় হাসিখুশি থাকত : সহপাঠী - the Bengali Times

নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি + সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির হত্যাকাণ্ডের খবরে তার পরিবারের স্বজনদের পাশাপাশি সহপাঠীদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সহপাঠীরা বৃষ্টি সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতিচারণ করেছেন। সহপাঠীরা জানান, বৃষ্টি শুধু মেধাবী ছিল না, সে সবসময় হাসিখুশি থাকত। তার এমন মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না।

এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানায় তারা।

- Advertisement -

তার সহপাঠী বর্তমানে এসিআ্ইতে কর্মরত সায়মন ইসলাম জানান, সে খুব হাসিখুশি এবং মিশুক স্বভাবের ছিল। আমরা গ্রুপে ১০ জন এক সংগেই নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম। তার এ মর্মান্তিক মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না।

এ সংবাদ আমাদের খুব বেদনা ও কষ্ট দিচ্ছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।
নিলুফার ইয়াসমিন নামে এক সহপাঠী বলেন, ‘নাহিদা বৃষ্টি শুধু ভালো ছাত্রীই ছিল না, সবার সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করত। বিদেশে গিয়ে সে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা ছিল।

কিন্তু তার এভাবে চলে যাওয়া সত্যিই কষ্টের এবং অবিশ্বাস্য এই খবরটা আমাদের পুরো ব্যাচ ও পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে স্তব্ধ করে দিয়েছে।’

বৃষ্টির বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. ফাতেহা নুর রুবেল বলেন, বৃষ্টির সঙ্গে দীর্ঘ ৫ বছর আমরা কাটিয়েছি। আমাদের বিভাগের মেধাবী এই শিক্ষার্থীর মৃত্যু আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। তার নিখোঁজ হবার কথা শুনে আমি তার পরিবারের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রেখেছি। তার জন্য যে ধরনের সবই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে করব।

নোবিপ্রবির উপাচার্য ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, মেধাবী ছাত্রী বৃষ্টির এ ধরনের মৃত্যু এটা মানা যায়না, এটা আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তার এভাবে চলে যাওয়া আমাদের সবাইকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানায়। একই সঙ্গে বৃষ্টির এমন মৃত্যুতে জড়িতদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইনে কঠোর শাস্তি ও নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানাই।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles