
ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন বাংলাদেশের দুই তরুণ-তরুণী। কিন্তু পরিবারের আপত্তির কারণে সেই সংসার টিকেনি। স্ত্রীকে ফিরে পেতে শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এক বাংলাদেশি যুবক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দম্পতির নাম অরিজিৎ ও মমি সাহা। তাদের বাড়ি নরসিংদী জেলায়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তারা ভালোবেসে বিয়ে করেন। তবে মমির পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি।
অরিজিৎ জানান, দুই বছর প্রেমের পর বাধ্য হয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন তারা। কিন্তু বিয়ের এক মাসের মাথায় মমির বাবা-মা জোর করে তাকে সীমান্ত পার করে ভারতে আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
তার দাবি, স্ত্রী তাকে জানিয়েছিলেন যে তাকে বিরাটি এলাকায় পলি সাহা ও উত্তম সাহার বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে। প্রায় ১৫ দিন তার সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও পরে আর কোনো খোঁজ পাননি।
স্ত্রীকে খুঁজতে গত ৩ জানুয়ারি তিনি ভারতে যান। পরদিন বিরাটিতে স্ত্রীকে আনতে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন অরিজিৎ। এরপর তিনি নিমতা থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করলেও পুলিশ তার অভিযোগ নেয়নি বলে দাবি করেন।
পরে আইনজীবী মুকুল বিশ্বাস–এর সহায়তায় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি এফআইআরও নেয়নি পুলিশ।
অবশেষে স্ত্রীকে ফিরে পেতে সোমবার তিনি কলকাতা হাইকোর্ট–এর দ্বারস্থ হন। এ বিষয়ে একটি মামলা করা হয়েছে এবং আগামী ১৭ মার্চ মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

