কানাডিয়ান ইমিগ্র্যান্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা

কানাডিয়ান ইমিগ্র্যান্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা - the Bengali Times
অভিবাসীদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে কানাডায় অনুষ্ঠিত হল ১৮তম বার্ষিক টপ ২৫ কানাডিয়ান ইমিগ্র্যান্ট অ্যাওয়ার্ডস

অভিবাসীদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে কানাডায় অনুষ্ঠিত হল ১৮তম বার্ষিক ‘টপ ২৫ কানাডিয়ান ইমিগ্র্যান্ট অ্যাওয়ার্ডস’। বুধবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়াবিদ, স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান, উদ্যোক্তা এবং সমাজকর্মী-সহ একাধিক বিশিষ্ট অভিবাসীকে সম্মান জানানো হয়।

কানাডার অর্থনীতি, উদ্ভাবন, শিল্প-সংস্কৃতি এবং স্থানীয় কমিউনিটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য এ বছর পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন তাঁরা। তাঁদের প্রত্যেকের সাফল্যের পিছনে রয়েছে অভিবাসী হিসেবে নতুন দেশে পথ তৈরি করার নিজস্ব লড়াই ও অভিজ্ঞতা।

- Advertisement -

পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন টিফের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ক্যামেরন বেইলি। মাত্র সাত বছর বয়সে বারবাডোজ থেকে কানাডায় পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। নিজের অভিবাসী পরিচয়কে কখনও আড়াল করেননি বেইলি। বরং তাঁর মতে, এই পরিচয়ই তাঁর শক্তির অন্যতম উৎস।

ওমনি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন নিজেকে বাইরের একজন মানুষ বলে মনে হতো তাঁর। অন্য অনেক অভিবাসীর মতোই কানাডায় এসে তাঁকেও নতুন করে অনেক কিছু শিখতে হয়েছে। এমন কিছু পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা তিনি বুঝে উঠতে পারতেন না। পাশাপাশি বৈষম্যের অভিজ্ঞতাও হয়েছে তাঁর।

এ বছর ‘এন্টারপ্রিনিউর অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিবানী ধামিজা। ২০১১ সালে ভারত থেকে কানাডার হ্যালিফ্যাক্সে গিয়ে বসবাস শুরু করেন তিনি। পরে নিজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেন ‘শিবানী’স কিচেন’। তাঁর রান্না ও উদ্যোগের জন্য আটলান্টিক কানাডায় তিনি ‘স্পাইস কুইন’ নামেও পরিচিতি পেয়েছেন।

এ বছরের সম্মানিতদের মধ্যে রয়েছেন ফিলিপিন্স থেকে কানাডায় আসা রজার্স স্পোর্টসনেটের ব্রডকাস্টার ও ফ্যাশন ডিজাইনার হ্যাজেল মায়ে। খেলাধুলা ও ফ্যাশন দুই ক্ষেত্রেই নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। পুরস্কৃত হয়েছেন সাবেক পেশাদার ফুটবলার ও কোচ কার্ল ভ্যালেন্টাইনও। ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান এবং কমিউনিটির সঙ্গে তাঁর কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মান দেওয়া হয়েছে।

‘টপ ২৫ কানাডিয়ান ইমিগ্র্যান্ট অ্যাওয়ার্ডস’-এর মাধ্যমে মূলত কানাডার বহুসাংস্কৃতিক সমাজে অভিবাসীদের অবদানকে সামনে তুলে ধরা হয়। এ বছরের বিজয়ীদের গল্পও দেখিয়েছে, ভিন্ন দেশ থেকে আসা মানুষ কীভাবে নিজেদের অভিজ্ঞতা, প্রতিভা ও পরিশ্রম দিয়ে কানাডার সমাজের অংশ হয়ে উঠছেন এবং দেশটির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles