
মেয়র অলিভিয়া চাও আবার নির্বাচন করতে চান, আসলে করতে চান কি, গত সোমবার ঘোষণাই দিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন করবেন। টরন্টোর নাগরিকদের জীবনযাত্রা অনেক সাশ্রয়ী করে তুলেছেন বা জনজীবনে অনেক স্বস্তি নিয়ে এসেছেন এসব এখন তার নির্বাচনী ইশতেহার। আসলেই কি তাই।
গত তিন বছরে উনি প্রপার্টি ট্যাক্স বাড়িয়েছেন প্রায় বিশ শতাংশ। প্রতিবারই জীবনযাত্রা সাশ্রয়ী করার কথা বলে উনি প্রপার্টি ট্যাক্স বাড়াতেন।
তার আমলে প্রপার্টি ট্যাক্স শুধু নয়, পানির বিল, মিউনিসিপাল ল্যান্ড ট্রান্সফার ট্যাক্স সবই বেড়েছে।
আর শহরে অপরাধের মাত্রা কিরকম বেড়েছে, তা যত কম বলা যায় ততই ভালো। শহরে উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত কেউ নিরাপদ বোধ করছে না আর। প্রকাশ্য দিবালোকে দোকানে ডাকাতি, আমাদের বাংলা টাউনেই তো হয়ে গেল কিছুদিন আগে, বাড়ি ঘরে ব্রেক ইন এগুলো নৈমিত্তিক ব্যাপার। ডাউন টাউনে মাদকাসক্তদের কারণে একটু সন্ধ্যা হলেই আর চলাফেরা করা যায় না। টিটিসির ট্রেনে বাসে কিরকম উৎপাত যারা এসব বাহনে চলাফেরা করেন তারা ভালই জানেন। এখন সামার শুরু হচ্ছে , দেখবেন টরন্টোর পার্কে পার্কে মাদকাসক্তরা তাবু গেড়ে বসে গেছে। তারপরেও তিনি বলবেন তিনি জনজীবনে স্বস্তি নিয়ে এসেছেন।
নাগরিক হিসেবে আমাদের উচিত, নট টু সেটল ফর লেস কিন্তু আমরা ফেসবুকে নেতাদের সাথে ছবি নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ার জন্য সবসময় কমেই সেটল করছি। ট্যাক্সের পর ট্যাক্স দিচ্ছি কিন্তু সেই ট্যাক্সের টাকা কিভাবে ব্যবহার করছে তার খোঁজ রাখছি না। অল্পতেই তুষ্ট থাকা যাকে বলে।
না হলে মেয়রকে এত কাছে পেয়েও প্রশ্নটি আমরা করি না, আপনি গত তিন বছর সিটির এই হাল কেন করেছেন।
স্কারবোরো, কানাডা

