
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী–এর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী আসামির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’র নামে জিয়া পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। অথচ যাকে নির্যাতন করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল—তারেক রহমান—তিনিই এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী।’
এর আগে বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে গ্রেপ্তার আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করা হয় এবং ৫টা ১৮ মিনিটে কড়া নিরাপত্তায় তাকে আদালতে তোলা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা অবস্থায় ডিবি পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি কৌশলে নিজেকে আড়াল করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার, আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধার এবং অপরাধী চক্র শনাক্তে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, বিদেশে লোক পাঠানোর নামে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া তথাকথিত ১/১১ সরকারের সময় ‘ট্রুথ কমিশন’ গঠনের আড়ালে ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আটক করে নির্যাতন এবং অর্থ আদায়ের অভিযোগও তোলা হয়।
আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

