
এবারের শীত যেনো শেষ হতেই চাইছে না। কয়েকদিন পর পর থেমে থেমে স্নো স্টর্ম যেনো থামছেই না। বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষেরা বিরক্ত । প্রতিদিন কেবল স্নো ক্লিন করতেই ক্লান্ত বাসিন্দারা। অনেকে গাড়ি বের করতে পারেনি । বিশেষ করে যারা রাস্তায় গাড়ি রেখেছিলেন তারা অনেকেই গাড়ি বের করতে পারেননি। গিল্ডউড এরিয়ার বাসিন্দা রমেশ সিপ্পি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার গত দুই যুগের কানাডা জীবনে আমি এতো স্নো দেখিনি। রমেশ টরন্টো সিটির স্নো ক্লিনিং তৎপরতার ব্যাপারে হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, টরন্টো সিটির স্নো ক্রুরা অনেক ধীর গতিতে স্নো ক্লিন করেছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগেই স্নো ক্লিন করেছে।
ড্যানফোর্থের বাংলাটাউনের একজন ব্যবসায়ি রোমান মাহমুদ বলেন, এবারের শীতে আমাদের ব্যবসা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। স্টোরের সামনের স্নো পরিস্কার হয়নি দীর্ঘদিন। কাস্টমাররা গাড়ি পার্ক করতে পারেনি। চরম মন্দা ছিলো ব্যবসায়।

এই চিত্র কেবল টরন্টোর নয়। গোটা কানাডাজুড়ে এবার একই অবস্থা বিরাজ করেছে। গ্রেটার টরন্টোর মিসিসাগা, ব্রাম্পটন, এ্যাজাক্স, পিকারিংসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সরেজমিন এই প্রতিবেদক কথা বলেছেন বাসিন্দাদের সঙ্গে। এবারের শীত দীর্ঘতা নিযে সবাই বেশ হতাশ। একইভাবে সিটির সার্ভিস নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ্যাজাক্সের বাসিন্দা তামি হায়দার বলেন, অতিরিক্ত স্নোর কারণে গণপরিবহন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে। কোথাও কোথাও যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিশেষ করে সময়টা ইউকেন্ড হলে তো কথাই নেই।
প্রাকৃতিক এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ মানুষের নাগালের বাইরে। তারপরও গ্রেটার টরন্টোর বাসিন্দারা সিটি কতৃপক্ষের কাছ থেকে স্বাচ্ছন্দ্য আশা করে। তারা মনে করে, আগামীতে সিটি আরো বেশি পদক্ষেপ নেবেন।
Sohely Ahmed Sweety : Local Journalism Initiative Reporter

