
গত এক দশকে কানাডায় অভিবাসনের গতি এই শতাব্দির শুরুর তুলনায় ছয়গুন দ্রুত হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে ফ্রেজার ইনস্টিটিউটের নতুন এক গবেষণায়।
কানাডা’স চেঞ্জিং ইমিগ্রেশন প্যাটার্নস, ২০০০-২০২৪ শীর্ষক প্রতিবেদনে অস্থায়ী কর্মী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জক ফিনলেসন এবং স্টিভেন গ্লোবারম্যান গবেষণায় লিখেছেন, ২০০০ সাল বিশেষকরে ২০১৫ সালের পর অভিবাসন প্রকৃত সংখ্যায় ব্যাপক বেড়েছে। পাশাপাশি মোট অভিবাসনে অস্থায়ী কর্মী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের হিস্যাও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০০০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কানাডায় আসা অভিবাসীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ লাখ ১৮ হাজার। কিন্তু ২০১৬-২০২৪ সাল পর্যন্ত এই সংখ্যা বার্ষিক প্রায় ১৪ লাখে দাঁড়ায়। এতে সরাসরি ভূমিকা রেখেছে সরকারের নীতির পরিবর্তন। বিশেষ করে ২০১৪ সালের ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রামের (আইএমপি) কথা এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই কর্মসূচি কম বেতনের চাকরিগুলো অস্থায়ী কর্মী দিয়ে পুরণ করার সুযোগ দেয়।
২০১৬ সালের গোড়ার দিকে নিয়োগ দেওয়া অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল অন ইকোনমিক গ্রোথ কানাডায় স্থায়ী অভিবাসন ব্যাপক বৃদ্ধির পক্ষে মত দেয়। এই সংখ্যা ২০১৬ সালে বার্ষিক তিন লাখ থেকে ২০২১ সালে সাড়ে ৪ লাখ করার কথা বলা হয়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক অভিবাসীদের হিস্যাও বেড়ে যায়।
গবেষণায় বলা হয়েছে, একই সময়ে অটোয়া অর্থবহ নীতি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা শিল্পের ব্যাপক বৃদ্ধির ওপর প্রশাসনিক সঠিক নজরদারিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই সুযোগে কানাডায়িান ইউনিভার্সিটি, কলেজ এবং টেকনিক্যাল ও ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলগুলো ব্যাপক হারে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি করেছে। এক্ষেত্রে কোনো সীমা ছিল না।
This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the LJI.

