
প্রতিপক্ষ শক্ত হলে তার গাঁ’য়ে কাদা লাগাতে হবে। কিংবা নানা বাহানায় তাকে নির্বাচন থেকে দুরে রাখতে হবে। সেটা যখন যেখানে যেভাবে দরকার তখন সেখানে সেটা করতে হবে। এই নোংরামিটা শুরু হয়েছিন ৯১ সাল থেকে। এরশাদ যাতে নির্বাচন না করতে পারে তার জন্যে যা যা করা দরকার, তাই তাই করার চেষ্টা করা হয়েছে দীর্ঘ দুই দশক। তারপর কখনো জামাতকে টার্গেট করা হয়েছে, বিগত তিনটি নির্বাচনে বিএনপিকে টার্গেট করা হয়েছে, ঘর ছাড়া করা হয়েছে এবং এখন সেই একই আগুনে পুড়বে আওয়ামী লীগ। তবে এখন শুধু আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি, এনসিপি, জাতীয় পার্টি সকলেই টার্গেট। যে যেখানে পারবে, শক্তি দিয়ে অপর শক্ত প্রতিপক্ষকে ঘর ছাড়া বা মাঠ ছাড়া করতে পারলে এমপি হওয়া নিশ্চিত।
বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেছেন, জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে। “বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করতে সুনির্দিষ্ট চক্রান্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এখন যে অপপ্রচার চলছে, তার পেছনে একেবারে সুনির্দিষ্ট চক্রান্ত রয়েছে। সেই চক্রান্ত হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করে দেওয়া। সেই চক্রান্ত হচ্ছে যে নেতা (তারেক রহমান), যিনি উঠে আসছেন, যাঁর একটা সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তাঁকে নিশ্চিহ্ন করা। তাঁকে খারাপ জায়গায় ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা।”
তবে জামায়াতের নেতা চমৎকারভাবে বলেছেন, “এ ধরনের আচরণ সমাজজীবনে কেবল বিশৃঙ্খলা, বিষোদ্গার ও অনৈক্যের বীজ বপন করবে”।
এ প্রসংগে মার্টিন লুথার কিং এর সেই অমর বাণী মনে পড়ে, “অন্ধকার দিয়ে অন্ধকার দুর করা যায় না”।
সবশেষে পবিত্র কোরানের সুরা আত তাওবাহ থেকে, কোট করছি, “তারা কি লক্ষ্য করে না, প্রতি বছর তারা দু’একবার বিপর্যস্ত হচ্ছে, অথচ, তারা এরপরও তওবা করে না কিংবা উপদেশ গ্রহণ করে না।”

