
বাসার চারপাশ ঘিরে প্রচুর গাছ, অনেক সবুজ। বাসার নাম রাখা হয়েছিল তরুশোভা।
যেখানে আম,জাম,কাঠাল,
কামরাঙ্গা,লিচু, জাম্বুরা। তেজপাতা, এলাচ, আদা, হলুদ, লেমন গ্রাস।
তাল, নারিকেল, সুপারি,কলা । লেবু, কমলা, বিলেম্বু। বকুল, ছাতিম, কদম। গন্ধরাজ, কামিনী, রঙ্গন, বেলি, কাঞ্চন, সাদা,লাল গোলাপি হলুদ নানা রঙের জবা। ঝুমকো জবা, স্থলপদ্ম, হাস্নাহেনা দোলন চাঁপা, শিউলি, গোলাপ। আরও কত নামের ফল,ফুল, রঙবেরঙের পাতাবাহার। মানিপ্লান্ট,অলকানন্দ, ঝুমকোলতা,বোগেনভেলিয়া ঘৃতকুমারী, স্নেকপ্লেন্ট, ফনিমনষা
নানা বাহারের অর্কিড আর ক্যাকটাসের মেলা। এত নাম লেখার পরও বাকি থাকতে পারে আরো গাছের নাম, যা শোভাবর্ধন করে আছে তরুশোভা নামের বাসার।

একসময়ের সবুজ ভূখণ্ডের শহরটি এখন ইট,কাঠের সূর্য দালানের কাঠখোট্টা শহর।
এখনও চারপাশের ইটের দালানের কাটখোট্টা নগরীর মাঝে একখন্ড সবুজ হয়ে আছে আামাদের বাসা।
নতুন নতুন ইমারতের মাঝে প্রাচিন অবস্থান নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে যেন ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস ধারণ করে । এইটুকু সবুজ অক্সিজেন আমরা ধরে রাখতে চাই এই হিসাবি সময়ে। দালানের শহরে আরো কিছু ফ্ল্যাট বানিয়ে ফেললে আয় হবে কিন্তু সবুজ থাকবে না।

গাছদেরও নি:শ্বাস নেয়ার জায়গা লাগে। অনেক গাছ আছে কিন্তু চারপাশে দালানের চাপে বেড়ে উঠায় চাপ পরেছে তাদের গায়ে। বাড়িতে মানুষ বেড়েছে যদিও সব মানুষ বাড়িতে সব সময় থাকে না আর। কেউ আসে কেউ যায় এভাবেই চলছে জীবনযাপন। তবুও মাঝে মাঝে মিলন মেলা হয়ে উঠে সবার আগমনে। দীর্ঘদিন পর অনেক আনন্দে, ভাই বোন বাচ্চা মিলে একসাথে মিলন মেলা উপভোগ করলাম। স্মৃতিময় সময় জড়িয়ে থাকলো সাথে নতুনের মাঝে।

