বিচেস-ইস্ট ইয়র্কে জন টোরির শক্তিশালী সমর্থন

বিচেস-ইস্ট ইয়র্কে জন টোরির শক্তিশালী সমর্থন - the Bengali Times
টরন্টোর সাবেক মেয়র জন টোরিকে ঘিরে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে

টরন্টোর সাবেক মেয়র জন টোরিকে ঘিরে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। যদিও তিনি নিজে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে আপাতত জনজীবনে ফেরার কোনো আগ্রহ নেই, তবুও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণ ও জনমতের ইঙ্গিত বলছে ফেডারেল রাজনীতিতে তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

টরন্টোর ইস্ট এন্ডের কোনো একটি ফেডারেল রাইডিং জন টোরির জন্য তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক হতে পারে। এর মধ্যে বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক আসনটি, যা বর্তমানে প্রতিনিধিত্ব করছেন লিবারেল এমপি ন্যাট আস্কাইন-স্মিথ।

- Advertisement -

এরস্কিন-স্মিথ ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি প্রাদেশিক লিবারেল নেতৃত্বের দৌড়ে অংশ নিতে পারেন। যদি তিনি স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চান, তাহলে তার বর্তমান আসনটি ফেডারেল নির্বাচনে শূন্য হয়ে যেতে পারে যা টোরির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে।

সম্প্রতি ফোরাম রিসার্চ পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক রাইডিংয়ের ৪১৫ জন ভোটারের মধ্যে ৪০ শতাংশই জন টোরিকে সমর্থন জানাতে আগ্রহী।

তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন নতুন এনডিপি নেতা আভি লুইস, যিনি পেয়েছেন ৩১ শতাংশ সমর্থন। যদিও বর্তমানে সংসদে তার কোনো আসন নেই, তবুও তার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে, গত নির্বাচনে কনজারভেটিভ প্রার্থী জসলাইন পয়রিয়ের পেয়েছেন ২০ শতাংশ সমর্থন। গ্রিন পার্টির প্রার্থী জ্যাক পেনিং-এর পক্ষে সমর্থন মাত্র ৫ শতাংশ। এছাড়া ৫ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীন অবস্থায় রয়েছেন।

২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টরন্টোর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জন টোরি। তবে একজন কর্মীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তিনি পদত্যাগ করেন, যা তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হয়।

পদত্যাগের পর বিভিন্ন সময়ে তার পুনরায় রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে জল্পনা তৈরি হলেও, তিনি নিজে বারবার জানিয়েছেন যে আপাতত জনজীবনে ফেরার কোনো পরিকল্পনা নেই।

বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন জনমতের একটি বড় অংশ এখনও টোরির পক্ষে রয়েছে, অন্যদিকে তার ব্যক্তিগত অনীহা রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। তবে কানাডার রাজনীতিতে অতীতে বহু নেতার প্রত্যাবর্তনের নজির রয়েছে সেই প্রেক্ষাপটে টোরির ক্ষেত্রেও সম্ভাবনাটি পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক রাইডিং ভবিষ্যতে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে যেখানে জন টোরির সম্ভাব্য অংশগ্রহণ কানাডার ফেডারেল রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles