img

প্রধানমন্ত্রী, কাদের সিদ্দিকীদের ফিরিয়ে নিন

ভারতীয় কূটনীতিক শশাঙ্ক শেখর ব্যানার্জি তার লন্ডনের বাসভবনে দেওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্বপ্ন, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের স্মৃতিময় ইতিহাস বলতে গিয়ে অনেকের গল্পই তুলে এনেছিলেন। এর মধ্যে একাত্তরের সুমহান মুক্তিযুদ্ধে একমাত্র বেসামরিক বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর যোদ্ধা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীকে নিয়ে কিছু কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে কাদের সিদ্দিকী বাঘা সিদ্দিকী হিসেবে সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। একজন বেপরোয়া অসীম....

img

মেননের আর্তনাদ ও মান্নার কান্না থামে না

বামপন্থি রাজনীতিবিদ রাশেদ খান মেননের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন রয়েছে। রাজনীতিতে তিনি এক দিনে তৈরি হননি। এটি যেমন সত্য, তেমনি রাজনীতিবিদদের জন্য প্রতিনিয়ত জনগণের কাছে অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে মানুষের হৃদয় জয় করে অগ্রসর হতে হয়। রাজনীতিবিদদের নিয়ে সমালোচনা যেমন থাকে, তেমনি সাফল্যের গৌরবও থাকে। জগদ্বিখ্যাত মহান রাজনৈতিক নেতা বা শাসকরা যুগে যুগে যেমন নজিরবিহীন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন, মহানায়ক হিসেবে ইতিহাসে অমরত্ব পেয়েছেন,....

img

শেখ মারুফ কেন গণভবনে যেতে পারে না?

নৈতিকতার চরম অধঃপতনে আমরা দিশাহারা। কোথাও সম্ভাবনার আলো দেখছি না। সবখানেই কেমন মারাত্মক ভাটির টান। মেরে কেটে কেউ বড় হতে পারলেই যেন বেঁচে যায়। অন্যের প্রতি কোনো দয়া-মায়া-শ্রদ্ধা-ভক্তি নেই। কেমন যেন দানবীয় পশুত্বের ভাব। অন্যকে আঘাত করতে, মানহানি করতে কেন যেন কারও এতটুকু বাধে না। পরকে হেঁট করতে পারলেই যেন মহা আনন্দÑ এ তো কোনো সভ্যতা হতে পারে না, মনুষ্যত্ব....

img

ছাত্র রাজনীতি

আবরারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি আমাদের সবাইকে একটা বিশাল ধাক্কা দিয়ে গিয়েছে। প্রাথমিক রাগ দুঃখ হতাশা এবং ক্ষোভের পর্যায়টুকু শেষ হয়ে যাবার পর আমরা এখন তার পরের পর্যায়টুকু দেখতে পাচ্ছি যেখানে এই অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনাটি নিয়ে দেশে-বিদেশে অল্প বিস্তর রাজনীতি করা শুরু হয়েছে। সরকারও তাদের মুখ রক্ষার কাজ শুরু করেছে, যদিও তাদের জন্য কাজটি খুব সহজ নয়। আমরা সবাই জানি আবরারকে নির্যাতন....

img

কেন এত অধঃপতন?

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবরার হত্যা সারা জাতিকে নাড়া দিয়েছে। বাঙালি জাতির ভিতর এমন পশুত্ব লুকিয়ে ছিল আমরা অনেকে তা ভাবতেই পারিনি। এ রকম ঠান্ডা মাথায় কয়েক ঘণ্টা পিটিয়ে কোনো মানুষকে হত্যা করা যায়, তাও আবার যুব বয়সে, যখন দয়া-মায়া-মমতা-ভালোবাসা থাকে চনমনে যে বয়স সম্মানের জন্য জীবন দেওয়ার, যে বয়স যুদ্ধে যাওয়ার, সেই বয়সে এমন বর্বরোচিত হত্যা- কল্পনাও করা যায় না। আমি....

img

দানবের জন্ম

ছাত্রলীগের ছেলেরা আবরার ফাহাদকে মেরে ফেলেছে (তাকে কীভাবে মেরেছে প্রথমে আমি সেটাও লিখেছিলাম। কিন্তু মৃত্যুর এই প্রক্রিয়াটি এতো ভয়ংকর এবং এত অবমাননাকর যে বাক্যটির দিকে তাকিয়ে আমার মনে হল আবরারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমি প্রক্রিয়াটি না লিখি। দেশ বিদেশের সবাই এটা জেনে গিয়েছে আমার নূতন করে জানানোর কিছু নেই।)। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আমাকে আমার অনেক ছাত্রছাত্রীর মৃত্যু দেখতে হয়েছে, তরুণ....

img

বুয়েটে এখন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরাই নয়, খুনিরাও পড়াশোনা করে

বর্বরতার চরমে পৌঁছে গেছি আমরা। আমাদের সন্তানদের আমরা মানুষ হতে দিচ্ছি না। খুনি দানব তৈরি করছি। কি অপরাধ বুয়েটের আবরারের? দেশের সেরা মেধাবি ছাত্রদের একজন সে। তার বাবা-মা তিল তিল স্বপ্ন দেখেছিলেন। ছেলেটি ভালো লেখাপড়া করে, ভালো রেজাল্ট করে বুয়েটে তুমুল প্রতিযোগিতার বাজারে ঠিকেছিল। বাবা মার বুকভরা স্বপ্নের সাথে তার নিজের স্বপ্ন ছিল। স্বপ্ন পূরণ হবার আগেই সব শেষ!

আবরারেরই সতীর্থরা....

img

ভাইস চ্যান্সেলরের জীবন কাহিনী

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : এই লেখাটি দেশের সত্যিকারের শিক্ষাবিদ এবং নীতিবান ভাইস চ্যান্সেলরদের জন্য প্রযোজ্য নয়।

১.

যারা খবরের কাগজ পড়েন তারা সবাই জানেন গত কিছুদিন দেশে দুই ধরনের দুর্নীতি নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড হচ্ছে। একটি হচ্ছে যুবলীগ নেতাদের ক্যাসিনো ব্যবসা, অন্যটি হচ্ছে ভাইস চ্যান্সেলরদের দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা। যুবলীগ কিংবা ছাত্রলীগের অপকর্মের কাহিনী শুনে কেউ বেশি অবাক হয় না। (তারপরও সরকারি ইঞ্জিনিয়রদের হাজার কোটি....

img

আওয়ামী লীগে বোমা হামলাকারিদের কারা এনে এমপি বানায়?

মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ১০ বছর থেকেও জানতে পারলেন না তার পিতা, আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও রক্তের সাথে নেপথ্যে কিভাবে তার আস্থাভাজনরা বিশ্বাসঘাতকতা করলেন! বুঝতেই পারলেন না কীভাবে তার আস্থার প্রতি বেইমানি তারা করেছে!

এরা রাজনৈতিক বানিজ্যিকিকরণের সুবাদে অবৈধ অর্থবিত্তের লোভে দলের অগনিত নিবেদিতপ্রান নেতাকর্মীদের অবহেলা অবজ্ঞা বিতাড়িত করে, জাতির পিতার হত্যাকারীদের রক্তমাখা হাতে গড়া....

img

তোর বাবাদের নাম এবার বল...

তুই কোন বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর মালিক যে তোকে সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে চলতে হয়? তোর ঘরে পাওয়া যায় নগদ ১০ কোটি টাকা ও ২শ' কোটির চেক? এফডিআর, অস্ত্র-গোলাবারুদ! পথের দুই টাকার যুবদল কর্মী থেকে এক টাকার যুবলীগ কর্মী হয়ে আজ তোর কোন বাবার শক্তিতে বঙ্গবন্ধুর নাম বিক্রি করে তিন টাকার ঠিকাদার এতো বড় লুটেরা হলি? তোর বাবাদের নাম এবার বল। একটাতো ফ্রিডম....

img

ডিজিটাল বাংলাদেশের দ্বিতীয় পর্যায়

১.

পৃথিবীতে যেসব বিচিত্র বিষয় নিয়ে ব্যবসা হয় আমার ধারণা তার একটি হচ্ছে তথ্য-উপাত্তের ব্যবসা, ইংরেজিতে আজকাল খুব সহজে যেটাকে আমরা বলি ‘ডাটা’। এটা যদি ছোটখাটো একটা ব্যবসা হতো তাহলে সেটা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাতো না, কিন্তু এটা মোটেও ছোটখাটো ব্যবসা না। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব্যবসাগুলোর একটি, শুনেও ঠিক বিশ্বাস হতে চায় না, তথ্য উপাত্তের ব্যবসা নাকি পৃথিবীর তেল গ্যাসের....

img

কেন এত এলোমেলো?

লিখেছিলাম, ‘অফিস-আদালতে বঙ্গবন্ধুর ছবি’। লেখাটি নিয়ে দারুণ আলোচনা হয়েছে। আমরা যেখানে বিশ্বাসযোগ্য সত্যের পেছনে জান কোরবান করেছিলাম সেখানে ধীরে ধীরে এমন একটা জায়গায় এসে পৌঁছেছি যেখানে সত্য-মিথ্যা, আসল-নকল পরখ করার কেউ নেই। ক্ষমতাবান শক্তিশালীরা যখন যা বলে, যা করে তাই যেন চিরসত্য, তাই যেন অলঙ্ঘনীয়। দেশের প্রতি ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। দেশের সাধারণ মানুষের এই বোধ....

img

লুটেরার দল, পঁচাত্তরের পর তোরা কোথায় ছিলি?

বালিশের দাম আকাশে উঠিয়ে হারাম খাবি? খা, খেতে থাক। বইয়ের দাম সাত আসমানে তুলে লুটবি? লুটে নে লুটেরা। একটি ঢেউটিনের দাম এক লাখ? এমন ভূতুড়ে হিসেবে কামাবি? কামা। এতিমের কুরবানির চামড়া দিসনি তো কি হয়েছে? দু'হাত ভরে মুজিব কন্যার উন্নয়ন লুটে নিচ্ছিস? নে। নিতে থাক। কৃষকের ধানসহ কৃষিপণ্যের দাম ঠিকমত না দিয়ে মানুষকে ভেজাল খাদ্য খাইয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হবি?....

img

বাঙালি নারীর ফ্যাশন এবং...

ঊনবিংশ শতাব্দির মধ্যভাগ পর্যন্ত বাঙালির সেলাইবিহীন পোশাক পরিধানের তথ্য জানা যায়৷ ড. নীহাররঞ্জন রায় তার ‘বাঙালীর ইতিহাস’ বইয়ে বিস্তারিত লিখে গেছেন৷ তবে এর পরের শতাব্দিতে পোশাকের ইতিহাস অত্যন্ত গতিশীল৷ ইতিহাসের সেদিকে যাব না৷বাঙালি নারীর পোশাক বা ফ্যাশন সচেতনতা বিষয়ে দু'একটি কথা বলা যাক৷

বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন ১৯৩২ সালে৷ পরনে শাড়ি, এমন বেগম রোকেয়াই বেঁচে....

img

আমাদের সোনার টুকরো ছেলেমেয়েরা

১.আজ থেকে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে আমরা যখন ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করেছি তখন তিন বছরে বিএসসি অনার্স ডিগ্রি পাওয়া যেতো (তারপর এক বছরে একটা মাস্টার্স ডিগ্রি!) তবে যে ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে আমাদের অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা হতো টানা তিন বছর পর! এর মাঝে ডিগ্রির জন্যে গুরুত্ব নেই সেরকম কিছু পরীক্ষা ছিল যেগুলো কেউ গায়ে লাগাতো না। যদি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার তিন....