মঙ্গলবার | ৩ আগস্ট ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • বিদেশি প্রভাবিত প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে
  • গ্রিন পার্টির নেতা অনামী পলকে দল থেকে বহিস্কারের কোনো সুযোগ নেই
ফাইল ছবি

জার্মানভিত্তিক বায়োএনটেক উদ্ভাবিত ২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন কিনতে ২০২০ সালের জুলাইয়ে ফাইজারের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছায় কানাডা। প্রথম চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ২৬ অক্টোবর। ফাইজার কানাডার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কোল পিনো গত ফেব্রুয়ারিতে দ্য কানাডিয়ান প্রেসকে বলেন, জানুয়ারির শেষ দিকে ছাড়া ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়া যাবে না, এমন ধারণার ভিত্তিতেই কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি হয়েছিল। ভ্যাকসিন সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল এর পরই।

কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের এক মাসের মধ্যে হেলথ কানাডার প্রধান উপদেষ্টা ডা. সুপ্রিয়া শর্মা ইঙ্গিত দেন যে, ভ্যাকসিন ব্যবহারের পক্ষে সবুজ সংকেত প্রদান থেকে দুই সপ্তাহ দূরে রয়েছে তার সংস্থা। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিছু ডোজ আগেভাগে দেওয়া যায় কিনা সেজন্য ফাইজারকে চুক্তি সংশোধনের অনুরোধ করে কানাডা। ৪ ডিসেম্বর ফাইজার ও কানাডা সংশোধিত চুক্তি স্বাক্ষর করে, তবে বাড়তি মূল্য দিয়ে।

চুক্তিপত্রে বলা আছে, ক্রেতা যেহেতু অনুরোধ করেছে এবং ফাইজারও সরবরাহ সময় সংশোধনে সম্মতি দিয়েছে তাই ২০২১ সালের ১ জানুয়ারির আগে কিছু ডোজ সরবরাহ করা হবে এবং ১ জানুয়ারির আগে সরবরাহকৃত ডোজের মূল্যও বাড়বে। তবে চুক্তিটি জনসম্মুখে প্রকাশ করার আগে মূল্য সম্পর্কিত সবকিছু মুছে ফেলা হয়েছে।

মূল চুক্তি অনুযায়ী, হেলথ কানাডা অনুমোদন দেওয়ার আগে কোনো চালানই কানাডায় পাঠানোর কথা নয়। কিন্তু চুক্তি সংশোধনের কয়েক দিনের মধ্যেই ৩০ হাজার ডোজের প্রথম চালানটি জাহাজীকরণ করা হয় এবং সেগুলো হাতে পাওয়ার পর ১৪ ডিসেম্বর ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি শুরু করে কানাডা। শেষ পর্যন্ত ১ জানুয়ারির আগে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৪৫০ ডোজ ভ্যাকসিন কানাডায় সরবরাহ করে ফাইজার। এরপর থেকে আরও ২ কোটি ২৫ লাখ ডোজ সরবরাহ করেছে কোম্পানিটি। শুধু তাই নয়, ৩ কোটি ৮০ লাখ লোককে ভ্যাকসিন দেওয়ার যে লক্ষ্য কানাডা নির্ধারণ করেছে তাতে প্রধান ভূমিকা রাখছে ফাইজারের ভ্যাকসিন।

এদিকে, ফাইজার-বায়োএনটেকের আড়াই লাখের বেশি ভ্যাকসিনের জন্য পরিকল্পিত সময়ের আগেই প্রিমিয়াম পরিশোধ করে কানাডা। ভ্যাকসিনের চালানটি গত ডিসেম্বরে সরবরাহ করা হয়। গত শুক্রবার হাউজ অব কমন্সে প্রকাশ করা চুক্তিপত্রে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পরিশোধিত মূল্য ও সরবরাহের সময় সংশোধন করে প্রকাশিত চুক্তিপত্র থেকে তা বাদ দেওয়া হয়েছে।



[email protected] Weekly Bengali Times

-->