মঙ্গলবার | ১১ মে ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • কানাডায় শুরু হয়েছে গণহারে ভ্যাকসিন কার্যক্রম
  • কানাডার বিমানবন্দরে বন্দুকধারীর হামলায় একজন নিহত
অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড


প্রায় দুই বছর ধরে কানাডার বিভিন্ন শহরে ক্রমাগত বেড়েই যাচ্ছে বাসাভাড়া। এতে হিমশিম খাচ্ছেন ভাড়াটিয়ারা। দু’বছর আগেও তিনবেডের যে বাসার ভাড়া ছিল ৬৫০ ডলার, এ বছর সেই বাসার ভাড়া হয়েছে প্রায় ২ হাজার ডলার। সিটি মন্ট্রিল পরিচালিত বিপদকালীন বাসস্থানের কোনোটিই খালি নেই। নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য সরকার নির্ধারিত বাড়িও নাগালের বাইরে। নতুন অভিবাসী, শরণার্থীপ্রত্যাশী ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়া বাসস্থান সংকটের অন্যতম কারণ। এ ছাড়া অন্যান্য শহরের তুলনায় জীবন ধারণ ব্যয় কম হওয়ায় মন্ট্রিলে মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায় বাসাবাড়াও চরমে পৌঁছেছে। মন্ট্রিল ডাউন টাউনের পর সবচেয়ে বেশি ভাড়া বাংলাদেশি-অধ্যুষিত পার্ক এক্সটেনশন এলাকায়। লাগামহীন ভাড়ার কারণে জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে। 

এদিকে,  বাড়ির দাম সহনীয় রাখতে সরবরাহ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন কানাডার অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। এর বাইরে অন্য পদক্ষেপও সরকারকে নিতে হতে পারে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেন, এ ইস্যুতে ফেডারেল সরকার নিম্ন স্তরের সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করতে চায়। কারণ, সিটি কর্তৃপক্ষ, প্রদেশ ও অটোয়া একসঙ্গে কাজ করলে আরও ভালো ফলাফল আসবে।

তবে আর কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে গ্রেটার ভ্যাংকুভার বোর্ড অব ট্রেডের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় তা খোলাসা করেননি অর্থমন্ত্রী।

সাশ্রয়ে বাড়ির জন্য এবারের বাজেটে আগামী পাঁচ বছরের জন্য ২৪০ কোটি ডলার বরাদ্দ প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ১৮০ কোটি ডলার দিয়ে চলতি অর্থবছরের কাজ শুরু হবে। এছাড়া বিদেশি মালিকরা তাদের বাড়ি ফেলে রাখলেও তার ওপর কর প্রস্তাব করা হয়েছে এবারের বাজেটে।

ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড ওবলেন, ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার হুইসলারের মতো কিছু এলাকার বাড়ির ওপর এ ধরনের কর আরোপে সমস্যা হতে পারে। কারণ, আমেরিকানদের ছুটি কাটানোর জন্য অনেক বাড়ি আছে এখানে।

বিদেশি ক্রেতাদের বিদেশে সম্পদ রাখার মাধ্যম হিসেবে বাড়িকে ব্যবহার করার যেহেতু সুযোগ নেই তাই সহনীয় দামই এখানে সবচেয়ে বড় ও প্রধান উদ্বেগ বলে জানান ফ্রিল্যান্ড। তিনি বলেন, প্রদেশ ও মিউনিসিপ্যালিটিগুলোর সঙ্গে যে কাজটা আমরা করতে চাই তা হলো কানাডায় বাড়ির জোগান বৃদ্ধিতে আরও সৃষ্টিশীল উপায় খুঁজে বের করা।


[email protected] Weekly Bengali Times

-->