শনিবার | ১৯ জুন ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • ইসলামোফোবিয়া বন্ধের পরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি
  • গ্রীষ্মের শুরুতে কানাডার অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা
ফাইল ছবি

কয়েক বছরের রেকর্ড প্রবৃদ্ধির পর ২০২০ সালে এয়ার কানাডার যাত্রী সংখ্যা ৭২ শতাংশ হ্রাস পায়। এর ফলে গত বছর কর্মীসংখ্যা ২০ হাজার কমিয়ে আনে এয়ারলাইন্সটি, যা মহামারি-পূর্ববর্তী সময়ের অর্ধেকের বেশি। এরপর গত জানুয়ারিতেও এক হাজার ৭০০ কর্মী ছাঁটাই করেছে এয়ার কানাডা। সংকট কাটাতে ২০২০ সালে কানাডা ওয়েজ সাবসিডি তহবিল থেকে ৫৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছে কোম্পানিটি। ২০২১ সালে এটি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে তারা। গত ফেব্রুয়ারিতে ২০২০ আর্থিক বছরের প্রতিবেদন প্রকাশের সময় এয়ার কানাডার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কলিন রভিনেস্কু সময়টিকে বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থার ইতিহাসে সবচেয়ে করুণ বলে মন্তব্য করেন। ২০২০ সালে এয়ার কানাডাকে ৪৬০ কোটি ডলার লোকসান গুণতে হয়েছে। যদিও আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে ১৫০ কোটি ডলার মুনাফা করেছিল কোম্পানিটি। 

এদিকে, মাসব্যাপী আলোচনার পর এয়ার কানাডার সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে অটোয়া। এর ফলে মহামারিতে বিধ্বস্ত এয়ারলাইনটি সরকারের কাছ থেকে ৫৯০ কোটি ডলার ঋণ ও ইকুইটি সংগ্রহ করতে পারবে। এ চুক্তির আওতায় এয়ার কানাডাকে অবশ্যই মহামারির কারণে ফ্লাইট বাতিল হওয়া যাত্রীদের অর্থ ফেরত দিতে হবে। সেই সঙ্গে নির্বাহীদের বেতন ১০ লাখ ডলারের বেশি হওয়া যাবে না এবং আঞ্চলিক বিমানবন্দরগুলোও চালু করতে হবে।

এ অর্থায়নের ফলে কানাডার বৃহত্তম এয়ারলাইন্সটিতে সরকারের ৬ শতাংশ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মন্ট্রিয়লভিত্তিক কোম্পানিটির কর্মীসংখ্যা কোনোমতেই ১ এপ্রিল যা ছিল তার কম হওয়া যাবে না। ৫৪০ কোটি ডলার ঋণের প্রসঙ্গ টেনে অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেন, এটা ঋণ সহায়তা এবং পুরোপুরি ঋণের অর্থ ফেরত পাওয়ার আশা করছে সরকার।

৫৯০ কোটি ডলারের মধ্যে ১৪০ কোটি ডলার হাজার হাজার যাত্রীর টিকিটের অর্থ ফেরত বাবদ ব্যয় করা হবে। এসব যাত্রী টিকিট কাটলেও ২০২০ সালের শেষ পর্যন্তও যাত্রা করতে পারেননি।


[email protected] Weekly Bengali Times

-->