শুক্রবার | ২৩ এপ্রিল ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • নতুন ভ্যারিয়েন্ট কানাডাকে আবৃত করে ফেলতে যাচ্ছে : ট্রুডো
  • ভ্যাকসিনেশনের গতি বাড়াতে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ : ডগ ফোর্ড
এনডিপি নেতা জাগমিত সিং

জেনারেল জোনাথন ভেন্স ও এডমিরাল আর্ট ম্যাকডোনাল্ডের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগের জোড়া তদন্ত চলছে। ঘটনার পর কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-প্রধান হিসেবে লে. জেনারেল ফ্রান্সেস অ্যালেন নামে এই প্রথম এক নারীকে নিয়োগ দিয়েছেন। এ পদে থাকা সাবেক শীর্ষ সৈন্য জেনারেল জনাথন ভেন্সের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ কানাডার সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের পর তাকে সরিয়ে এই নারীকে মনোনয়ন দেয়া হয়। এখন ওই শীর্ষ সৈন্যের বিরুদ্ধে ওঠা সামরিক পুলিশের অসঙ্গত আচরণ এবং অধস্তনদের সাথে সম্পর্কের বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে।  জেনারেল জেনারেল ভেন্সের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগের বিষয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন প্রকাশ করে গ্লোবাল নিউজ। এর কয়েকদিন পর সেনাবাহিনী অভিযোগটি স্বাধীনভাবে তদন্তের প্রতিশ্রুতি দেয়। এরপর একই অভিযোগে চিফ অব ডিফেন্স স্টাফের পদ থেকে সরে দাঁড়ান এডমিরাল আর্ট ম্যাকডোনাল্ড। আরও জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সম্মুখীন বলে গত সপ্তাহে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে সিবিসি নিউজ।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গত সপ্তাহে এ ব্যাপারে বলেন, ভেন্সের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। যদিও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হারজিৎ সজ্জনকে ২০১৮ সালেই অভিযোগের বিষয়টি অবহিত করেছিলেন সাবেক সামরিক ন্যায়পাল। এরপর প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও প্রিভি কাউন্সিলকে জানান।

জেনারেল ভেন্সকে চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল সাবেক কনজার্ভেটিভ সরকার। তবে তার বেতন ও মেয়াদ বাড়ানো হয় ট্রুডো সরকারের সময়। ম্যাকডোনাল্ড ও ভাইস এডমিরাল হেইডন এডমুন্ডসনের পদন্নোতিও হয় এই সরকারের আমলে। 

এদিকে, কানাডার সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে একাধিক যৌন অসদাচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ভূমিকার সমালোচনা করেছেন এনডিপি নেতা জাগমিত সিং। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এসব অভিযোগের বিষয়ে নিষ্ক্রিয়তা অভিযোগকারীদের এই বার্তা দিয়েছে যে, তাদের সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়নি।

জাগমিত সিং বলেন, এর দায় প্রধানমন্ত্রীর ওপর বর্তায়। যৌন হেনস্থা ও অসদাচরণের অভিযোগ উপেক্ষা করা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি এমন যে, কিছুই ঘটেনি। এর মধ্য দিয়ে লিবারেল সরকার অভিযোগকারীদের এই বার্তা দিচ্ছে যে, তারা নিরাপদ নন। এটা ঠিক নয়।